Saturday, February 21, 2026

আছিয়া বিনতে মুজাহিম সম্পর্কে জানতে চাই

 প্রশ্ন: আছিয়া বিনতে মুজাহিম আলাইহিস সালাম সম্পর্কে জানতে চাই।

▬▬▬▬▬▬▬▬◄❖►▬▬▬▬▬▬▬▬
উত্তর: পরম করুণাময় অসীম দয়ালু মহান আল্লাহ’র নামে শুরু করছি। যাবতীয় প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক মহান আল্লাহ’র জন্য। শতসহস্র দয়া ও শান্তি বর্ষিত হোক প্রাণাধিক প্রিয় নাবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’ (ﷺ)-এর প্রতি। অতঃপর ফেরাউনের মহীয়সী স্ত্রী আছিয়া বিনতে মুজাহিম (আলাইহাস্‌ সালাম) সম্পর্কে কুরআন ও সহীহ সুন্নাহতে বিস্তারিত জীবনীমূলক তথ্য খুব সীমিত। তাঁর জীবন ও ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে, তার উল্লেখযোগ্য অংশই মূলত ইসরাঈলি রেওয়ায়াত—অর্থাৎ পূর্ববর্তী আহলে কিতাবের সূত্রে বর্ণিত তথ্য, যা নির্ভরযোগ্য ও সুস্পষ্ট সহীহ নস দ্বারা প্রত্যক্ষভাবে প্রমাণিত নয়।তবে ঐতিহাসিক ও তাফসিরমূলক আলোচনায় সাধারণভাবে এ বিষয়টি প্রতীয়মান হয় যে, আছিয়া (আলাইহিস্‌ সালাম) ছিলেন সময়ের শ্রেষ্ঠ প্রাসাদের অধিপতি। তার সেবায় ছিল অসংখ্য দাস-দাসী এবং অফুরন্ত ধন-সম্পদ। তিনি অত্যন্ত বিলাসিতার মাঝে জীবন যাপন করতেন। কিন্তু তার স্বামী ছিল এক চরম অত্যাচারী ও অহংকারী শাসক, যে নিজেকে রব দাবি করে ঘোষণা দিয়েছিল— “আমিই তোমাদের শ্রেষ্ঠ পালনকর্তা।”আসিয়া (আলাইহিস সালাম) মূসা (আলাইহিস সালাম)কে ছোট বেলা থেকেই লালন পালন করেছিলেন।ঘটনাটি ছিল এমন যে,ফেরাঊনের সৈন্যদের হাতে নিহত হবার নিশ্চিত সম্ভাবনা দেখা দিলে আল্লাহর প্রত্যাদেশ (ইলহাম) অনুযায়ী পিতা-মাতা তাদের প্রাণাধিক প্রিয় সন্তানকে সিন্দুকে ভরে বাড়ীর পাশের নীল নদীতে ভাসিয়ে দিলেন।অতঃপর স্রোতের সাথে সাথে সিন্দুকটি এগিয়ে চলল। ওদিকে মূসার (বড়) বোন তার মায়ের হুকুমে (ক্বাছাছ ২৮/১১) সিন্দুকটিকে অনুসরণ করে নদীর কিনারা দিয়ে চলতে লাগল (ত্বোয়াহা ২০/৪০)। এক সময় তা ফেরাঊনের প্রাসাদের ঘাটে এসে ভিড়ল। ফেরাঊনের পুণ্যবতী স্ত্রী আসিয়া (آسية ) বিনতে মুযাহিম ফুটফুটে সুন্দর বাচ্চাটিকে দেখে অভিভূত হয়ে পড়লেন। ফেরাঊন তাকে বনু ইস্রাঈলের সন্তান ভেবে হত্যা করতে চাইল। কিন্তু সন্তানহীনা স্ত্রীর (আসিয়ার) অপত্য স্নেহের কারণে তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে ফেরাঊন নিজে তার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েন। কারণ আল্লাহ মূসা (আলাইহিস সালাম) এর চেহারার মধ্যে বিশেষ একটা মায়াময় কমনীয়তা দান করেছিলেন (সূরা ত্বোয়াহা ২০/৩৯)। যাকে দেখলেই মায়া পড়ে যেত। ফেরাঊনের পাষাণ হৃদয় গলতে সেটুকুই যথেষ্ট ছিল। বস্তুত এটাও ছিল আল্লাহর মহা পরিকল্পনারই অংশ বিশেষ। ফুটফুটে শিশুটিকে দেখে ফেরাঊনের স্ত্রী তার স্বামীকে বললেন,وَقَالَتِ امْرَأَتُ فِرْعَوْنَ قُرَّتُ عَيْنٍ لِّي وَلَكَ لاَ تَقْتُلُوهُ عَسَى أَن يَّنْفَعَنَا أَوْ نَتَّخِذَهُ وَلَداً وَهُمْ لاَ يَشْعُرُوْنَ- (القصص ৯)-“এ শিশু আমার ও তোমার নয়নমণি। একে হত্যা করো না। এ আমাদের উপকারে আসতে পারে অথবা আমরা তাকে পুত্র করে নিতে পারি’। আল্লাহ বলেন, ‘অথচ তারা (আমার কৌশল) বুঝতে পারল না’ (ক্বাছাছ ২৮/৯)। মূসা এক্ষণে ফেরাঊনের স্ত্রীর কোলে পুত্রস্নেহ পেতে শুরু করলেন। অতঃপর বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর জন্য রাণীর নির্দেশে বাজারে বহু ধাত্রীর কাছে নিয়ে যাওয়া হ’ল। কিন্তু মূসা কারো বুকেই মুখ দিচ্ছেন না। আল্লাহ বলেন, وَحَرَّمْنَا عَلَيْهِ الْمَرَاضِعَ مِن قَبْلُ- (القصص ১২)- ‘আমরা পূর্ব থেকেই অন্যের দুধ খাওয়া থেকে মূসাকে বিরত রেখেছিলাম’ (ক্বাছাছ ২৮/১২)। এমন সময় অপেক্ষারত মূসার ভগিনী বলল, ‘আমি কি আপনাদেরকে এমন এক পরিবারের খবর দিব, যারা আপনাদের জন্য এ শিশু পুত্রের লালন-পালন করবে এবং তারা এর শুভাকাঙ্ক্ষী? (ক্বাছাছ ২৮/১২)। রাণীর সম্মতিক্রমে মূসা (আলাইহিস সালাম)-কে প্রস্তাবিত ধাত্রীগৃহে প্রেরণ করা হল। মূসা খুশী মনে মায়ের দুধ গ্রহণ করলেন। অতঃপর মায়ের কাছে রাজকীয় ভাতা ও উপঢৌকনাদি প্রেরিত হতে থাকল। এভাবে আল্লাহর অপার অনুগ্রহে মূসা তার মায়ের কোলে ফিরে এলেন। এভাবে একদিকে পুত্র হত্যার ভয়ংকর আতংক হতে মা-বাবা মুক্তি পেলেন ও নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া সন্তানকে পুনরায় বুকে ফিরে পেয়ে তাদের হৃদয় শীতল হল। অন্যদিকে বহু মূল্যের রাজকীয় ভাতা পেয়ে সংসার যাত্রা নির্বাহের দুশ্চিন্তা হতে তারা মুক্ত হলেন। সাথে সাথে সম্রাট নিয়োজিত ধাত্রী হিসাবে ও সম্রাট পরিবারের সাথে বিশেষ সম্পর্ক সৃষ্টি হওয়ার ফলে তাঁদের পরিবারের সামাজিক মর্যাদাও বৃদ্ধি পেল। এভাবেই ফেরাঊনী কৌশলের উপরে আল্লাহর কৌশল বিজয়ী হল। ফালিল্লাহিল হাম্দ। আল্লাহ বলেন, وَمَكَرُوا مَكْراً وَمَكَرْنَا مَكْراً وَهُمْ لاَ يَشْعُرُونَ- (النمل ৫০)- ‘তারা চক্রান্ত করেছিল এবং আমরাও কৌশল করেছিলাম। কিন্তু তারা (আমাদের কৌশল) বুঝতে পারেনি’ (নমল ২৭/৫০)। আরও বিস্তারিত জানতে দেখুন; তাফসীর ইবনু কাসীর, ক্বাসাস ৭ আয়াত; কুরতুবী, ইবনু কাসীর, আল-বিদায়াহ ১/২২৫; ঐ, তাফসীর সূরা ত্বোয়াহা ৪০ আয়াত, নাসাঈ, ‘হাদীছুল ফুতূন’)
.
অতঃপর আসিয়া (আলাইহিস সালাম) মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর তাওহীদী দাওয়াতে সাড়া দিয়ে ঈমান গ্রহণ করেন। প্রাথমিক সময়ে তিনি তার ঈমান পাপিষ্ঠ ফেরাউনের নিকট গোপন রেখেছিলেন এবং চুপচাপ মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর ওপর পূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করেছিলেন। কিন্তু যখন তার ঈমান প্রকাশিত হয়, তখন ফেরাউন শুরু করেন অমানুষিক নির্যাতন। বলা হয়, ফেরাউন তার সৈন্যদের নির্দেশ দিলে তারা আসিয়াকে মিশরের মরুভূমিতে নিয়ে গিয়ে চার কোণায় বেঁধে সূর্যের প্রখর রোদে ফেলে রাখত। মরুভূমির তপ্ত বালু আর তৃষ্ণার মাঝেও তিনি দৃঢ় ঈমানের সঙ্গে ধৈর্য ধারণ করতেন। আল্লাহর কুদরত অপূর্ব—ফেরেশতারা তাঁর চারপাশে ডানা ছড়িয়ে তাকে ছায়া দিত, যাতে সূর্যের তাপ তাঁকে স্পর্শ করতে না পারে। এই সকল কষ্ট ও নির্যাতনেও, আসিয়া (আলাইহিস সালাম) তাঁর প্রভুর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও সন্তুষ্টি বজায় রাখলেন। মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে তিনি কাতর কণ্ঠে প্রার্থনা করলেন, যেমন আল্লাহ তায়ালা কুরআনে নির্দেশ দিয়েছেন—,وَضَرَبَ اللهُ مَثَلاً لِلَّذِينَ آمَنُوا اِمْرَأَةَ فِرْعَوْنَ إِذْ قَالَتْ رَبِّ ابْنِ لِي عِندَكَ بَيْتاً فِي الْجَنَّةِ وَنَجِّنِي مِنْ فِرْعَوْنَ وَعَمَلِهِ وَنَجِّنِي مِنَ الْقَوْمِ الظَّالِمِينَ-“আল্লাহ ঈমানদারগণের জন্য দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেন ফেরাঊনের স্ত্রীর, যখন সে বলেছিল,”হে আমার পালনকর্তা! তোমার নিকটে জান্নাতে আমার জন্য একটি গৃহ নির্মাণ করো! আমাকে ফেরাঊন ও তার পারিষদবর্গের হাত থেকে উদ্ধার কর এবং আমাকে যালেম সম্প্রদায়ের কবল থেকে মুক্তি দাও”।(সূরা তাহরীম;৬৬/১১)। ​আল্লাহ তাআলা তার দোয়া কবুল করলেন এবং আসিয়া জীবিত অবস্থাতেই জান্নাতে নিজের অবস্থান দেখে হেসে ফেললেন। ফেরাঊন অবাক হয়ে তার লোকদের বলল, “দেখো তার পাগলামি! এই মরণ যন্ত্রণাতেও সে হাসছে?” অথচ মহান আল্লাহ পাথরটি তার ওপর পড়ার আগেই তার রূহ কবুল করে নেন। ফলে তিনি পাথরের আঘাতের কোনো যন্ত্রণাই অনুভব করেননি। কিছু বর্ণনায় এসেছে যে, আল্লাহ তাআলা তাকে দুনিয়াতেই জান্নাতে তাঁর গৃহ প্রদর্শন করান, যা তাঁর ঈমানের উচ্চতা ও মর্যাদার প্রতি এক বিশেষ সম্মান ও সুসংবাদ হিসেবে বিবেচিত হয়। যেমন প্রখ্যাত সাহাবী আবূ হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহু) [মৃত: ৫৯ হি.] থেকে মওকুফ সূত্রে প্রমাণিত আছে যে তিনি বলেন,إنَّ فرعونَ أوتَدَ لامرأتِه أربعةَ أوتادٍ في يدَيها ورِجْلَيها فكان إذا تفرَّقوا عنها أظلَّتْها الملائكةُ فقالت { رَبِّ ابْنِ لِي عِنْدَكَ بَيتًا فِي الجَنَّةِ وَنَجِّنِي مِنْ فِرْعَوْنَ وَعَمَلِهِ وَنَجِّنِي مِنَ القَوْمِ الظَّالِمِينَ } فكُشِفَ لها عن بيتِها في الجنَّةِ “ফেরাঊন তার স্ত্রীকে (আছিয়া) চারটি স্থির পেরেক দিয়ে (মাটিতে আটকে রাখার জন্য) বন্দী করেছিলেন—দুটি হাতে, দুটি পায়ে। যখন ফেরাউনের লোকেরা তাকে ছেড়ে চলে যেত, তখন ফেরেশতারা তাকে ছায়া দান করতেন। এরপর তিনি (আছিয়া) আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করলেন: “হে আমার পালনকর্তা! আমার জন্য আপনার নিকট জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করুন এবং আমাকে ফেরাঊন ও তার দুষ্কর্ম থেকে উদ্ধার করুন এবং আমাকে জালিম সম্প্রদায় থেকে মুক্তি দিন।”(সূরা আত-তাহরীম: ১১)। অতঃপর জান্নাতে তাঁর ঘরটি তাঁর সামনে উন্মোচিত করা হলো (অর্থাৎ তিনি তা দেখতে পেলেন)।”(মুসনাদে আবী ইয়ালা, হা/৭০২৫;মুস্তাদরাকে হাকেম,হা/৩৯৫৯; ইমাম আলবানী রাহিমাহুল্লাহ বলেন,হাদীসটি আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে মওকূফ সহীহ, যা মরফূ হুকমীর পর্যায়ভুক্ত;সিলসিলা সহীহাহ হা/২৫০৮)।
.
আসিয়া আলাইহিস (সালাম) ছিলেন জান্নাতী চার শ্রেষ্ঠ নারীর একজন।আবূ মূসা আশ’আরী (রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহু) থেকে বর্ণিতঃতিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,من الرجال كثير ولم يكمل من النساء إلا آسية امرأة فرعون ومريم بنت عمران وإن فضل عائشة على النساء كفضل الثريد على سائر الطعام”পুরুষদের মধ্যে অনেকেই পূর্ণতাপ্রাপ্ত হয়েছে, কিন্তু নারীদের মধ্যে মারইয়াম বিনতে ‘ইমরান ও ফিরাউনের স্ত্রী আসিয়া (রহঃ) ছাড়া অন্য কেউ তাদের মতো পূর্ণতাপ্রাপ্ত হননি। আর ‘আয়িশা (রাঃ)-এর মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব অন্যান্য নারীদের উপর এমন যেমন সারীদ অর্থাৎ গোশ্‌ত এবং রুটি দ্বারা তৈরী খাদ্য বিশেষ এর মর্যাদা অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যের উপর।”(সহীহ বুখারী হা/৩৭৬৯;সহীহ মুসলিম হা/২৪৩১) অপর বর্ননায় প্রখ্যাত সাহাবী আনাস ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহু) [মৃত: ৯৩ হি.] হতে বর্ণিত, রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,أَفْضَلُ نِسَاءِ أَهْلِ الْجَنَّةِ خَدِيجَةُ بِنْتُ خُوَيْلِدٍ وَفَاطِمَةُ بِنْتُ مُحَمَّدٍ وَمَرْيَمُ بِنْتُ عِمْرَانَ وَآسِيَةُ بِنْتُ مُزَاحِمٍ امْرَأَةُ فِرْعَوْنَ “জান্নাতী মহিলাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলেন খাদীজা বিনতে খুওয়াইলিদ, ফাতেমা বিনতে মুহাম্মাদ, মারিয়াম বিনতে ইমরান ও ফেরাঊনের স্ত্রী আসিয়া বিনতে মুযাহিম”।(মুসনাদে আহমাদ হা/২৬৬৮, তিরমিযী হা/৩৮৭৮; সহীহুল জামি হা/৩১৪৩; সনদ সহীহ)
.
শাফি‘ঈ মাযহাবের প্রখ্যাত মুহাদ্দিস ও ফাক্বীহ, আবুল ফাদল আহমাদ বিন আলি ইবনু হাজার আল-আসকালানি,(রাহিমাহুল্লাহ) [জন্ম: ৭৭৩ হি: মৃত:৮৫২ হি:] বলেন;ومن فضائل آسية امرأة فرعون أنها اختارت القتل على الملك والعذاب في الدنيا على النعيم الذي كانت فيه وكانت فراستها في موسى عليه السلام صادقة حين قالت قرة عين لي ​”ফেরাউনের স্ত্রী আছিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ গুণ হলো—তিনি রাজত্বের সুবিধা ত্যাগ করে মৃত্যুকে বেছে নিয়েছিলেন, এবং দুনিয়ার আনন্দ-সুখের বদলে আখেরাতের জন্য কষ্ট ও পরীক্ষাকে গ্রহণ করেছিলেন। মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর ব্যাপারে তাঁর দূরদর্শিতা সঠিক ছিল, যখন তিনি বলেছিলেন: “সে আমার জন্য চক্ষুপ্রিয় ও আনন্দদায়ক।”(ফাতহুল বারী: খণ্ড: ৬; পৃষ্ঠা: ৪৪৮)। (আল্লাহই সবচেয়ে জ্ঞানী)।
▬▬▬▬▬◄❖►▬▬▬▬▬
উপস্থাপনায়: জুয়েল মাহমুদ সালাফি।

No comments:

Post a Comment

Translate