ভূমিকা: পরম করুণাময় অসীম দয়ালু মহান আল্লাহ’র নামে শুরু করছি। যাবতীয় প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক মহান আল্লাহ’র জন্য। শতসহস্র দয়া ও শান্তি বর্ষিত হোক প্রাণাধিক প্রিয় নাবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’র প্রতি। অতঃপর আরবি ব্যাকরণ ও ইসলামি পরিভাষা অনুযায়ী ‘হূর’ (حُوْرٌ) শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ। حَوْرَآءُ এর বহুবচন। এর উৎপত্তি حَوَرٌ থেকে। যার অর্থ চোখের সাদা অংশের অত্যধিক সাদা এবং কালো অংশের অত্যধিক কালো হওয়া। حَوْرَآءُ (হুর) এই জন্য বলা হয় যে, দৃষ্টি তাদের রূপ ও সৌন্দর্যকে দেখে মুগ্ধ হয়ে যাবে। হুর হল সে সমস্ত নারী যাদেরকে আল্লাহ্ তা’আলা জান্নাতে সৃষ্টি করেছেন।পবিত্র কুরআন ও হাদিসে তাঁদের অতুলনীয় রূপ, নিষ্কলুষ চরিত্র এবং চিরস্থায়ী যৌবনের বর্ণনা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। ব্যাকরণগতভাবে এটি স্ত্রীলিঙ্গ এবং মহান আল্লাহ জান্নাতে মুমিন বান্দাদের জন্য পুরস্কার ও সঙ্গী হিসেবে তাঁদের নির্ধারিত রেখেছেন। মূলত জান্নাতের অফুরন্ত নেয়ামতসমূহের মাঝে পুণ্যবতী স্ত্রী ও এই জান্নাতী হুরগণ মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশেষ উপহার।মহান আল্লাহ বলেন, “আর আমরা তাদেরকে বড় চোখবিশিষ্ট হূরদের সাথে বিয়ে দেব”। [সূরা আদ-দোখান: ৫৪]
Saturday, May 16, 2026
জান্নাতে একজন পুরুষ কতজন হুর পাবে
তামাত্তু হজের ক্ষেত্রে একই বছরে নিজের পক্ষ থেকে উমরাহ এবং অন্যের পক্ষ থেকে হজ্জ করা কি জায়েয
করুণাময় অসীম দয়ালু মহান আল্লাহ’র নামে শুরু করছি। যাবতীয় প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক মহান আল্লাহ’র জন্য। শতসহস্র দয়া ও শান্তি বর্ষিত হোক প্রাণাধিক প্রিয় নাবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’র প্রতি। অতঃপর একই সফরে নিজের পক্ষ থেকে উমরাহ এবং মৃত বা শারীরিক অক্ষম ব্যক্তির পক্ষ থেকে ‘বদলি হজ্জ’ আদায় করা শরীয়তসম্মত ও সম্পূর্ণ বৈধ। কারন হজ্জে তামাত্তু সহীহ হওয়ার জন্য উমরাহ ও হজ্জ একই ব্যক্তির পক্ষ থেকে হওয়া শর্ত বা জরুরি নয়; ফলে একজন নিজের জন্য উমরাহ করে অন্যের জন্য হজ্জ করতে পারেন, অথবা এর উল্টোটাও (অর্থাৎ নিজের পক্ষ থেকে হজ্জ অন্যের পক্ষ থেকে ওমরাহ) জায়েজ, এমনকি উমরাহ ও হজ্জ দুইজন ভিন্ন ব্যক্তির পক্ষ থেকেও আদায় করা যায়। তবে শর্ত হলো, অন্যের পক্ষ থেকে বদলি হজ্জ বা উমরাহ করার আগে নিজের ফরয হজ্জ ও উমরাহ অবশ্যই সম্পন্ন থাকতে হবে। এছাড়া তামাত্তু হজ্জের কারণে যে ‘হাদি’ বা দমে-শোকর (কুরবানি) ওয়াজিব হয়, তা যার পক্ষ থেকে হজ্জ করা হচ্ছে তার পক্ষ থেকেই সম্পন্ন করতে হবে।
আশআরীরা কি আহলুস সুন্নাহর অন্তর্ভুক্ত
ভূমিকা: পরম করুণাময় অসীম দয়ালু মহান আল্লাহ’র নামে শুরু করছি। যাবতীয় প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক মহান আল্লাহ’র জন্য। শতসহস্র দয়া ও শান্তি বর্ষিত হোক প্রাণাধিক প্রিয় নাবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’র প্রতি। অতঃপর আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআত হলো ইসলামের সেই অবিভাজ্য ও শাশ্বত মূলধারা, যা মূলত রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সুন্নাহ ও সাহাবায়ে কেরামের প্রদর্শিত পন্থার ওপর সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত। কিয়ামত অবধি নাজাতপ্রাপ্ত এই জামাআত সম্পর্কে নবীজি (ﷺ) ইরশাদ করেছেন যে, তিনি এবং তাঁর সাহাবীগন যে আদর্শের ওপর আছেন, যারা তার অনুসরণ করবে তারাই হবে মুক্তিপ্রাপ্ত। সুতরাং এটি কোনো সাময়িক বা বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠী নয়, বরং কুরআন ও সুন্নাহর বিশুদ্ধ মর্মার্থ এবং সাহাবীদের কর্মপদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত এক ভারসাম্যপূর্ণ আদর্শিক ধারা; যার মৌলিক বৈশিষ্ট্যগুলো অনুধাবন করা প্রতিটি মুমিনের ঈমানী চেতনার জন্য অপরিহার্য। আর এই প্রেক্ষাপটে আশআরী মতবাদ সম্পর্কে আলোচনা করতে গেলে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো স্পষ্ট করা জরুরি:
একাধিক বিবাহের ১০০ টি উপকারিতা
ভূমিকা: পরম করুণাময় অসীম দয়ালু মহান আল্লাহ’র নামে শুরু করছি। যাবতীয় প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক মহান আল্লাহ’র জন্য। শতসহস্র দয়া ও শান্তি বর্ষিত হোক প্রাণাধিক প্রিয় নাবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’র প্রতি।অতঃপর প্রিয় পাঠক ইসলামি শরিয়তে একাধিক বিবাহ কোনো বিলাসিতা বা নিছক শখের বিষয় নয়; বরং এটি এক মহান এবং কঠিন দায়িত্ব। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, যথাযথ শর্ত পূরণ করা এবং স্ত্রীদের মাঝে ইনসাফ কায়েম করা বর্তমান যুগের অধিকাংশ সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত দুরূহ একটি কাজ। তাই উপযুক্ত সামর্থ্য ও মানসিক প্রস্তুতি ছাড়া ঢালাওভাবে একে উৎসাহিত করার সুযোগ নেই। তবে মহান আল্লাহ যেহেতু বিশেষ প্রয়োজন ও প্রেক্ষাপটে একজন পুরুষের জন্য একই সাথে সর্বোচ্চ চারটি বিয়ে বৈধ রেখেছেন, সেহেতু মুমিন হিসেবে এর বিরোধিতা করার বা একে অপছন্দ করার কোনো অবকাশ নেই। বরং আল্লাহর প্রতিটি বিধানের প্রতি নিঃস্বার্থ আনুগত্য প্রদর্শন করাই প্রকৃত ইমানদারিত্বের পরিচয়। কারণ, এই বিধানের গভীরে লুকিয়ে আছে বহু সামাজিক, মানবিক ও চারিত্রিক কল্যাণ।আজকের নিবন্ধে আমরা ইসলামের এই বিশেষ বিধানের পেছনে থাকা নানাবিধ ইতিবাচক দিক নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করব। আজ আমরা একাধিক বিবাহের ১০০টি ইতিবাচক ও কল্যাণকর দিক তুলে ধরব ইনশাআল্লাহ।” আজকের পোষ্টের হেডলাইন হলো: “একাধিক বিবাহের ১০০ টি উপকারিতা”
মানত সম্পর্কে বিস্তারিত
প্রশ্ন: মানত কী? শরীয়তে মানতের বিধান কী? মানত কত প্রকার ও কি কি? মানত পূরণ করার বিধান কি?