Saturday, December 11, 2021

মা, বোনদের জন্য কিছু হেল্পফুল সাজেশন দিলাম যেন তারা সারাদিন এর জিকির ও দুয়াগুলো কমপ্লিট করতে পারেন!

 অনেক মা, বোনই আছেন যারা ব্যস্ততার কারণে প্রতিদিনের জিকির ও দুয়াগুলো কমপ্লিট করতে পারেন না!

অনেক মহিলাকেই সকালে ফজরের পর রান্নাঘরে ছুটে যেতে হয় স্বামী, সন্তানের নাস্তা বানানোর জন্য! কোনোমতে স্বলাত পড়েই তারা ব্যস্ত হয়ে পড়ে সংসারের কাজে!
তাই তাদের জন্য কিছু হেল্পফুল সাজেশন দিলাম যেন তারা সারাদিন এর জিকির ও দুয়াগুলো কমপ্লিট করতে পারেন!

➡ফজরের পর রান্না করার সময় সুবহানআল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ্‌, আল্লাহু আকবার পড়ে নিবেন!

➡তিন কুল পড়ে নিবেন।

➡আয়াতুল কুরসী টা পড়ে নিবেন।

➡বাসা থেকে বের হওয়ার আগে যেভাবেই হয় বিপদআআপদ, দুর্ঘটনা থেকে বাচার দুয়া পড়ে নিবেন!

➡ঘড় ঝাড়ু দেয়ার, মোছা, গুছগাছ করার সময় লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ/সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহী সুবহানাল্লাহিল আজিম পড়তে থাকবেন যতো খুশি ততোবার!

➡বাচ্চাকে ঘুম পাড়ানোর সময় জিকির করতে পারেন।

➡দুপুরে শোয়ার পর জিকির করতে পারেন।

➡বাসে, ট্রেনে, রিকশায় বসে জিকির করতে পারেন।

➡সিড়ি/লিফট দিয়ে উঠানামা করার সময় জিকির করতে পারেন।
[ উপরে উঠতে আল্লাহু আকবার, নিচের দিকে নামতে সুবহানআল্লাহ ]

➡রাস্তা দিয়ে হাটার সময়গুলোতে জিকির করতে পারেন।

➡ফেসবুক চালানোর সময় জিকির করুন!তাহলে টাইমটুকু নষ্ট হবেনা ইনশা আ আল্লাহ্‌!

➡শুয়ে, বসে সর্বাবস্থায়য় জিকির করুন!

জিকিরের ফজিলত অনেক বেশিই!!!!

***আল্লাহর যিকর দ্বারা অন্তর প্রশান্ত হয় আলহামদুলিল্লাহ্‌! ?

***জিকির করতে থাকলে জবানের হিফাযাত হয় আলহামদুলিল্লাহ্‌! ?

***গীবাহ, চোগলখোরি, মিথ্যা হতে বিরত থাকা যায় আলহামদুলিল্লাহ্‌! ?

বেশি বেশি জিকির করার অভ্যাস করুন আর জান্নাতে নিজের জন্য প্রাসাদ, বাগান নির্মাণ করুন !

{{{সৌজন্যে : Mehejabin}}}

মেয়েদের সুন্দর কিছু ইসলামিক নাম এবং এর অর্থ

 রায়হানা = সুগন্ধি ফুল।

রাফিয়া = উন্নত।
পারভীন = দিপ্তিময় তারা।
নূসরাত = সাহায্য।
নিশাত = আনন্দ।
নাজীফা = পবিত্র।
নাইমাহ = সুখি জীবনযাপনকারীনী।
নাফিসা = মূল্যবান।
মুরশীদা = পথর্শিকা।
মাসূমা = নিষ্পাপ।
মাসূদা = সৌভাগ্যবতী।
মাহফুজা = নিরাপদ
আসিয়া অর্থ শান্তি স্থাপনকারী।
আশরাফী অর্থ সম্মানিত।আমিনা অর্থ
নিরাপদ।
আনিসা অর্থ কুমারী।
°আনিফা অর্থ রূপসী।
°আনওয়ার অর্থ জ্যোতিকাল।
°আরিফা অর্থ প্রবল বাতাস।
°আয়িশা অর্থ জীবন যাপন কারিণয়
€আমীনা অর্থ » আমানত রক্ষাকারণী।
€আসমা অর্থ » নামসমূহ।
€আফরোজা অর্থ » জ্ঞানী।
€আয়মান অর্থ » শুভ।
€আমীরাতুন নিসা অর্থ » নারীজাতির
নেত্রী।
€আকলিমা অর্থ » দেশ।
€ইসমাত আফিয়া অর্থ » পূর্ণবতী।
€কামরুন অর্থ » ভাগ্য
রীমা অর্থ => সাদা হরিণ।
সুফিয়া অর্থ => আধ্যাত্মিক সাধনাকারী।
সায়িমা অর্থ => রোজাদার।
শাহানা অর্থ => রাজকুমারী।
শাকিলা অর্থ => রূপবর্তী।
শাফিয়া অর্থ => মধ্যস্থতাকারিনী।
সাজেদা অর্থ => ধার্মিক।
সাদীয়া অর্থ => সৌভাগ্যবর্তী!
সালমা অর্থ => প্রশন্ত।
শিরিন অর্থ => আনন্দকর।
তাসনিয়া = প্রসংসা।
তাসনিম অর্থ => বেহশতী ঝর্ণা।
তানজীম অর্থ > সুবিনাসত
মাহফুজা অর্থ > নিরাপদ
আয়েশা অর্থ > সমৃদ্ধিশালী
ফারহানা অর্থ > প্রান চঞ্চল
ফরিদা অর্থ > অনুপমা
ফারিহা অর্থ >সুখী
হুমায়রা অর্থ= রূপসী
লাবীবা অর্থ= জ্ঞানী
ফারিহা অর্থ= সুখী
ফাহমিদা অর্থ= বুদ্ধিমতী
মাহবুবা অর্থ= প্রেমপাত্রী
নার্গিস অর্থ= ফুলের নাম
তামান্না অর্থ= ইচ্ছা-আখাংকা
শিরিন অর্থ= আনন্দকর
আফিফা অর্থ= সাধ্বী
তাহমিনা অর্থ= মূল্যবান
সাদিয়া অর্থ= সৌভাগ্যবতী।
জাবিরা-রাজিহওয়া।
জাদিদাহ-নতুন।
জাদওয়াহ-উপহার।
জাহান-পৃথিবী।
জালসান-বাগান।
জমিমা-ভাগ্য।
জামিলা-সুন্দরী।
আফিয়া»অর্থ»»পূণ্যবর্তী।
হামিদা»অর্থ»» প্রশংসাকারিনী।
ফারজানা»অর্থ»» বিদুষী।
ফাহমিদা»অর্থ»» বুদ্ধিমতী।
বিলকিস»অর্থ»» রানী।
আমিনা»অর্থ»» বিশ্বাসী।
আয়েশা»অর্থ»» সমৃদ্ধিশালী।
আনজুম»অর্থ»» তারা।
আনতারা»অর্থ»» বীরাঈনা।
আকিলা»অর্থ»» বুদ্ধিমতি।
মাজেদা»অর্থ»» মহতি।
সাদীয়া – সৌভাগ্যবতী
সাগরিকা – তরঙ্গ
সহেলী – বান্ধবী
সাহিরা – পর্বত
সাইদা – নদী
সায়িমা – রোজাদার
সাজেদা – ধার্মিক
সালীমা – সুস্থ
সালমা – প্রশান্ত
সালমা আফিয়া – প্রশান্ত পূণ্যবতী
সালমা আনিকা – প্রশান্ত সুন্দরী
সালমা আনজুম – প্রশান্ত তারা
সালমা ফারিহা – প্রশান্ত সুখী
সালমা ফাওজিয়া – প্রশান্ত সফল
সালমা মাহফুজা – প্রশান্ত নিরাপদ
:- তাহিয়া অর্থ অভিবাদন,
:- ফারযানা অর্থ কৌশলী,
:- ফিরোজা অর্থ উজ্জ্বল,
:- শামীমা অর্থ খুশবু,
:- আফিফা অর্থ সতী নারী,
:- দিলরুবা অর্থ প্রিয়তমা,
:- ফারহানা অর্থ প্রফুল্লতা।
:-নওশীন অর্থ মিষ্টি,
:-দিলরুবা অর্থ প্রেমিকা,
:-নিশাত অর্থ আনন্দ,
:-নুসরাত অর্থ সাহায্য,
:-তূবা অর্থ সুসংবাদ,
:-জুলফা অর্থ বাগান,
:-যীনাত অর্থ সৌন্দর্য,
:-ঈশাত অর্থ বসবাস,
:-রওশন অর্থ উজ্জ্বল,
:-জেবা অর্থ যথার্থ।
.
শিরিন >অর্থ> আনন্দকর।
শাবানা >অর্থ> রাত্রিমধ্যে।
তাসনিয়া >অর্থ>প্রশংসা।
তাহমিনা >অর্থ> মূল্যবান।
আতিকা >অর্থ> সুন্দরী।
রহিমা >অর্থ> দয়ালু।
আসমা >অর্থ> অতুলনীয়।
ফরিদা >অর্থ> অনুপমা।
আনিকা >অর্থ> সুন্দরী।
আয়েশা >অর্থ> সমৃদ্ধিশীল।
আমিনা >অর্থ> বিশ্বাসী।
দীনা >অর্থ> বিশ্বাসী।
হাসিনা >অর্থ> সুন্দরী।
লায়লা >অর্থ> শ্যামলা।
মুমতাজ >অর্থ> মনোনীত।
মায়মুনা >অর্থ> ভাগ্যবতী।
রশীদা >অর্থ> বিদূষী।
রামিসা >অর্থ> নিরাপদ।
সামিয়া »অর্থ» রোজাদার।
রওশান »অর্থ» উজ্জ্বল।
রাওনাফ »অর্থ» সৌন্দর্য।
শাহানা »অর্থ» রাজকুমারী।
রোশনী »অর্থ» আলো।
রুমালী »অর্থ» কবুতর।
রীমা »অর্থ» সাদা হরিণ।
রুম্মন »অর্থ» ডালিম।
সাবিহা »অর্থ» রূপসী।
শাকিলা »অর্থ» রূপবতী।
শাফিয়া »অর্থ» মধ্যস্থতাকারিণী।
সাকেরা »অর্থ»কৃতজ্ঞ।
সাজেদা »অর্থ» ধার্মিক।
সাইদা »অর্থ» নদী।রা।
নূসরাত = সাহায্য।
নিশাত = আনন্দ।
নাজীফা = পবিত্র।
নাইমাহ = সুখি জীবনযাপনকারীনী।
নাফিসা = মূল্যবান।
মুরশীদা = পথর্শিকা।
মাসূমা = নিষ্পাপ।
মাসূদা = সৌভাগ্যবতী।
মাহফুজা = নিরাপদ
°আসিয়া অর্থ শান্তি স্থাপনকারী।
°আশরাফী অর্থ সম্মানিত।
°আমিনা অর্থ নিরাপদ।
°আনিসা অর্থ কুমারী।
°আনিফা অর্থ রূপসী।
°আনওয়ার অর্থ জ্যোতিকাল।
°আরিফা অর্থ প্রবল বাতাস।
°আয়িশা অর্থ জীবন যাপন কারিণয়
€আমীনা অর্থ » আমানত রক্ষাকারণী।
€আসমা অর্থ » নামসমূহ।
€আফরোজা অর্থ » জ্ঞানী।
€আয়মান অর্থ » শুভ।
€আমীরাতুন নিসা অর্থ » নারীজাতির
নেত্রী।
€আকলিমা অর্থ » দেশ।
€ইসমাত আফিয়া অর্থ » পূর্ণবতী।
€কামরুন অর্থ » ভাগ্য
রীমা অর্থ => সাদা হরিণ।
সুফিয়া অর্থ => আধ্যাত্মিক সাধনাকারী।
সায়িমা অর্থ => রোজাদার।
শাহানা অর্থ => রাজকুমারী।
শাকিলা অর্থ => রূপবর্তী।
শাফিয়া অর্থ => মধ্যস্থতাকারিনী।
সাজেদা অর্থ => ধার্মিক।
সাদীয়া অর্থ => সৌভাগ্যবর্তী!

অনলাইনে ইসলাম প্রচার

 “অনলাইনে ইসলাম প্রচার”

__________
.
অনেক বছর ধরে ইন্টারনেটের বিভিন্ন সাইট অথবা ব্লগ পড়ে কিংবা ফেসবুক চালিয়ে এটা বুঝে গেছি যে, ইসলামিক পোষ্টগুলোর রিচ হয় কম, তার চেয়ে কম মানুষ পড়ে, তার চেয়ে কম মানুষ পছন্দ করে, তার চেয়ে কম মানুষ উৎসাহমূলক কিংবা গঠনমূলক মন্তব্য করে, তার চেয়ে কম মানুষ শেয়ার করে অথবা কপি করে ছড়িয়ে দেয়, তার চেয়ে কম মানুষ ২৪ ঘণ্টা পার হবার পরেও শিক্ষাটা মনে রাখে আর সবশেষে তার চেয়েও কম মানুষ আমল করে এবং মানুষের কাছে পৌঁছে দেয় ! আর তাছাড়া নির্ভরযোগ্য লেখার সংখ্যাও খুবই কম। যে, যা বুঝে, সে, তাই লেখে। অনলাইনে কুরআন-হাদিসের ধার, খুব কম মানুষই ধারে। বেশীরভাগ মানুষের ভাবভঙ্গী হচ্ছে, “আরেহ ! আমি কি কম জানি নাকি !”
.
তাহলে কোন পোষ্টগুলোর রিচ বেশী হয় ? উত্তর হচ্ছে লিংক টাইপের, একি করল অমুক, প্রেমের ফাঁদে পড়ে ভিডিও বের হলো তমুকের, ভালোবাসার কাছে আসার সাহসী গল্পগুলোর। যে গল্পগুলো প্রকৃতপক্ষে যিনার গল্প। রসিয়ে রসিয়ে লেখা প্রেমের গল্প, আবেগ অনুভুতির গল্প ইত্যাদি। নাস্তিকের পোষ্টগুলোরও রিচ ভালো হয়। সেখানে সমানে চলে গালিগালাজ, নাস্তিকরাও গালি দিচ্ছে, আস্তিকরাও যেন সমান তালে জবাব দিচ্ছে, এদিকে পাঠক সমাজ বিব্রত এবং বিভ্রান্ত হচ্ছে। জ্ঞান অর্জন করতে হলে বই পড়ুন, ব্লগ নয়, ফেসবুক নয়। কথার মারপ্যাঁচে কখন আপনার ঈমানটা ফুড়ুৎ হয়ে যাবে, টেরও পাবেন না ! কুরআনের কাছে আসুন, হাদিসের বই পড়ুন। কিছু বুঝতে না পারলে আলেমের কাছে বুঝিয়ে নিন, মূর্খের কাছে নয়।
.
কথাগুলোর মধ্যে কোথাও হয়ত একটা হতাশার ছাপ লুকায়িত আছে কিন্তু এটার মধ্যে একটা গুঢ় শিক্ষাও আছে যা কিনা সবাই ধরতে পারবে না। সেই শিক্ষাটা হলো মূল্যবান বস্তু সবাই লাভ করতে পারেনা এটাই স্বাভাবিক আর সহজে লাভ করে ফেললেও বেশীরভাগ মানুষই এর মূল্য দিতে পারেনা। রাস্তার খাবার সবাই কিনে খেতে পারে কিন্তু ফাইভ স্টার হোটেলে খেতে পারে কয়জন ? তেমনি ইসলামের মূল্যও আমরা দিতে পারি না, যে কারণে আমাদের অবস্থাও ঐ রাস্তার খাবারের মতই মূল্যহীন অথবা সল্পমূল্য। হুমায়ন আহমেদের মত লেখকদের সস্তা লেখা যতজন মানুষ পড়ে তার তুলনায় ইমাম বুখারী রাহিমাহুল্লার লেখা কয়জন মানুষ পড়ে ? মাইন্ড করলেন ? আচ্ছা বাদ দেন, নজরুল কিংবা রবীন্দ্রনাথ কয়জন পড়ে ?
.
আমাদের ইসলামিক জ্ঞান, এই হিজাব পরিহিতা বোনের জন্য কয়টি লাইক, অমুক ইসলামিক ব্যাপারে একমত হলে লাইক দিন, তমুক সেলিব্রেটি হজ্জে গেলেন, উনার জন্য কয়টি লাইক ইত্যাদি পর্যন্তই সীমাবদ্ধ ! বেশীরভাগ ১৮+ পেজগুলো থেকে আসে এধরণের পোষ্ট। এরকম পোষ্ট একটা দেয়ার পরের পোষ্টেই হয়ত নগ্ন নারীর ছবি ! রেডিও নামযুক্ত সকল পেজ পরিহার করুন। যারা ধর্মের নামে অপপ্রচার করে লাইক ভিক্ষা করে তাদেরকে পরিহার করুন। অনলাইনে সারাদিন পড়ে না থেকে বাসায় যে কুরআনটা আছে, ৫ মিনিটের জন্য হলেও খুলুন। এসব অনলাইনের জ্ঞান খুব কমই কাজে আসে।
.
হাজার লাইকের মধ্যে কোন সফলতা নেই, সফলতা আছে যদি একজন মানুষকে আল্লাহর অভিমুখী করার উসিলা হওয়া যায়। আল্লাহ আমাদেরকে যেন মুসলিম হিসেবে কবুল করে নিন, আমীন।

▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂
.
লেখাঃ হাসান জাহিদ (আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন!)
.
.
_
ওহী (The Way To Enter Jannah)

যদি আপনি আপনার ঈমানের অবস্থা পরীক্ষা করতে চান তবে যখন একা থাকেন তখন নিজেকে পর্যবেক্ষণ করুন

 দি আপনি আপনার ঈমানের অবস্থা পরীক্ষা করতে চান তবে যখন একা থাকেন তখন নিজেকে পর্যবেক্ষণ করুন। একাকী অবস্থায় নিজেকে পর্যবেক্ষণ করুন।

.
দু রাকাত সালাত আদায় এবং একদিন রোজা রাখার মাধ্যমে ঈমান সৃষ্টি হয় না। বরং এটা সৃষ্টি হয় নিজের নফস এবং এর কামনা বাসনার বিরুদ্ধে মুজাহাদা করার মাধ্যমে।
.
আল্লাহ্‌র কসম! ইউসুফ (আ) এত বড় মর্যাদা এবং সফলতা লাভ করতে পেরেছেন শুধুমাত্র তাঁর নিজ প্রবৃত্তির বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার কারণে।
.
“পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে দণ্ডায়মান হওয়াকে ভয় করেছে এবং খেয়াল-খুশী থেকে নিজেকে নিবৃত রেখেছে, তার ঠিকানা হবে জান্নাত” (৭৯: ৪০-৪১)
.
যেদিন আল্লাহ্‌র আরশের ছায়া ব্যতীত আর কোনো ছায়া থাকবে না, সেদিন যারা আল্লাহ্‌র আরশের ছায়ায় স্থান পাবে তাদের মধ্যে একজন হচ্ছে যে নির্জনে একাকী অবস্থায় আল্লাহ্‌কে স্মরণ করে এবং তার দুই চোখ অশ্রুতে ভিজে যায়,
.
অন্যজন হচ্ছে যাকে কোনো সুন্দরী এবং উচ্চবংশীয় নারী অবৈধ যৌনসম্পর্ক (যিনা) করার আহবান জানালে যে বলে “আমি আল্লাহ্‌কে ভয় করি”
.
গুনাহের জন্য দুর্ভোগ।
কতই না লজ্জাজনক এবং অপমানকর এর প্রভাব, কতই না খারাপ এর সংবাদ।
গুনাহসমূহ তো শুধুমাত্র অমনোযোগিতা এবং নির্জনতায়ই সংঘটিত হয়।
.
ওহে শোনো! যার নিজের উপর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই এমন কি এক মুহূর্তের জন্য ও নিজের প্রবৃত্তির উপর নিয়ন্ত্রন নেই, বল আমকে, কে তুমি!
কত বড় জ্ঞানী তুমি? কী তোমার সম্মান-মর্যাদা?
.
আল্লাহ্‌র কসম! তুমি কি জান সত্যিকারের মানুষ কে?
আল্লাহ্‌র কসম! সত্যিকারের মানুষ তো সে- যখন সে একা থাকে তখন হারাম কাজসমূহের মধ্য থেকে কোন একটি বিষয় যা সে ভালোবাসে এবং তা তার উপর প্রভাব বিস্তার করতে চায়, সে তখন আল্লাহ্‌কে স্মরণ করে এবং জানে যে আল্লাহ্‌ তাকে দেখছেন।
সে এই সত্য অনুভব করে এবং তার মালিকের নিকট লজ্জিত হয়, কীভাবে সে তার মালিকের অবাধ্য হবে, যখন তার মালিক তাকে দেখছেন!
.
তিরমিজির এক সহীহ হাদিসে আছে, আবু যার (রা) থেকে বর্ণিতঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম “মানুষের উপর এমন কিছু সময় অতিবাহিত হয়েছে যখন সে উল্লেখযোগ্য কিছু ছিল না” (সুরা ইনসান) এই আয়াতগুলো তিলাওয়াত করছিলেন, তিনি বলেনঃ রাসূল (সা) এই সুরা একদম শেষ পর্যন্ত পড়লেন এবং বললেন, ‘নিশ্চই আমি যা দেখি তোমরা তা দেখো না, আমি যা শোনি তোমরা তা শোনো না। আকাশ মড়মড় শব্দ করছে এবং আকশের তা করাই শোভা পায়। আকাশের উপর চার আঙ্গুল স্থানও ফাঁকা নেই যেখানে একজন ফেরেশতা সিজদায় লুটিয়ে নেই!!
.
আল্লাহ্‌র কসম! আমি যা জানি, তোমরা যদি তা জানতে তবে সল্পই হাসতে এবং অধিক কাঁদতে।
তাই আল্লাহ্‌র সহনশীলতা এবং মহানুভবতার কারণে ধোঁকা খেয়ো না।
.
এর কারণে অনেক পাপী আরও অধিক অগ্রগামী হয়েছে এবং অনেক জালিম একদম ধ্বংস হয়ে গেছে!
.
যখন নফস গুনাহ করতে চায় তখন তাকে আল্লাহ্‌র নজরের (আল্লাহ্‌ সব দেখছেন) কথা স্বরণ করিয়ে দাও।
তোমার দিকে যত দৃষ্টি আপতিত হয়, তার মধ্যে আল্লাহ্‌র দৃষ্টিকে সবচেয়ে তুচ্ছ মনে কর না।
যদি কোনদিন তুমি একা থাকো আর তোমার নফস তোমাকে গুনাহ এর দিকে আহবান করে, তাকে বলোঃ “আল্লাহ্‌র দৃষ্টির ব্যাপারে লজ্জিত হও; নিশ্চই যিনি অন্ধকার সৃষ্টি করেছেন তিনি তোমাকে দেখছেন”
.
যদি এটা তুমি বিশ্বাস করো যে, আল্লাহ্‌ তোমাকে দেখছেন না, তবে তুমি কত বড় কুফরিতে লিপ্ত!!!
আর আল্লাহ্‌ তোমাকে দেখছেন এই বিশ্বাস নিয়ে যদি তুমি গুনাহে লিপ্ত হও, তবে কত কঠিন তোমার অবাধ্যতা, কত বড় তোমার হঠকারিতা!
তুকি কত অবাধ্য, এবং কত বড় নির্লজ্জ!!
.
হে হতভাগ্য!! কোন শরীর নিয়ে তুমি আল্লাহ্‌র নিকট দাঁড়াবে?
কোন জবান দিয়ে তুমি আল্লাহ্‌র নিকট জবাব দিবে!!? সেই প্রশ্নের জন্য একটা উত্তর প্রস্তুত কর! এবং প্রস্তুত করো উত্তর দেয়ার মত ভালো একটা কারণ!
.
.
কার্টেসীঃ- ***KnowYourDeen

জিহ্বার আছে আপদ, কথার আছে আদব

 জিহ্বার আছে আপদ, কথার আছে আদব,

কথা তাই সাবধানে, সব কথা নয় সবখানে!
লিখেছেনঃ আব্দুল হামীদ ফাইযী মাদানী

মহানবী (সাঃ) বলেন, “বান্দা নির্বিচারে এমনও কথা বলে, যার দরুন সে পূর্বে ও পশ্চিমে বরাবর স্থান দোযখে পিছলে যায়।”(বুখারী ৬৪৭৭, মুসলিম ২৯৮৮, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ)

তিনি বলেন, “মানুষ এমনও কথা বলে, যাতে সে কোন ক্ষতি আছে বলে মনেই করে না; অথচ তার দরুন সে ৭০বছরের পথ জাহান্নামে অধঃপতিত হয়।”

(তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, হাকেম, সিলসিলাহ সহীহাহ ৫৪০ নং)

তিনি আরো বলেন, “মানুষ আল্লাহর সন্তুষ্টির এমনও কথা বলে, যার মঙ্গলের কথা সে ধারণাই করতে পারে না; অথচ আল্লাহ তার দরুন কিয়ামত দিবস অবধি তার জন্য সন্তুষ্টি লিপিবদ্ধ করেন। আবার মানুষ আল্লাহর অসন্তুষ্টির এমনও কথা বলে যার অমঙ্গলের কথা সে ধারণাই করতে পারে না; অথচ আল্লাহ তার দরুন কিয়ামত দিবস পর্যন্ত তার অসন্তুষ্টি লিপিবদ্ধ করেন।” (মালেক, আহমাদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, ইবনে হিব্বান, হাকেম সিলসিলাহ সহীহাহ ৮৮৮ নং)

বখাটে_বোনটি_আমার!
জিহ্বা দেখতে ছোট ও নরম, কিন্তু তার আঘাত বড় শক্ত। লৌহ-তরবারি অপেক্ষা বাক-তরবারির ধার অধিক বেশী। এ জন্যই বোবার কোন শত্রু নেই।

> পা পিছলে গেলে মানুষ মরে না, কিন্তু মুখ পিছলে গেলে অনেকে মারা যায়। সাবধান! তুমি তোমার জিভ দিয়ে নিজের গর্দান কেটে ফেলো না। অধিকাংশ রোগ নির্ণয় করা হয় জিভ দ্বারা। আর অধিকাংশ ঝামেলা বাঁধে লম্বা ভিজ দ্বারা।

> পক্ষান্তরে অল্প কথা বলা জ্ঞানীর লক্ষণ। চুপ থাকলে আহমককেও জ্ঞানী মনে হয়।

> আর জেনে রেখো, যার মুখে জ্ঞানের লাগাম আছে, লোকে তাকেই নেতা নির্বাচন করে।

> শেখ সা’দী বলেন, ‘কথা বলতে পারার জন্য মানুষ জন্ত-জানোয়ার থেকেও শ্রেষ্ঠ।
কিন্তু মানুষ যদি কথা ঠিক না বলে, তাহলে সে জানোয়ার থেকে নিকৃষ্ট নয় কি?’
তা বলে হক বলতে চুপ থাকলে হবে না, নোংরা কাজ হতে দেখে বাধা না দিয়ে চুপ থাকলে চলবে না।

> নীরব প্রতিবাদও ফলপ্রসূ । কিছু নীরবতা আছে, যা কথা বলার চেয়েও অধিক প্রভাব ও প্রতিক্রিয়াশীল। নীরবতা মঙ্গল না করতে পারে, কিন্তু ক্ষতি করে না।

> যে বেশী কথা বলে, তার ভুল বেশী হয়। যার ভুল বেশী হয়, তার লজ্জা কমে যায়। যার লজ্জা কমে যায়, তার সংযম কমে যায়। আর যায় সংযম কমে যায়, তার হৃদয় মারা যায়।

> যে বেশি কথা বলে, সাধারণতঃ সে বেশী মিথ্যা বলে। যেমন যে নিজের গল্প ও বরাই বেশী করে, সেও বেশি মিথ্যা বলে।

> আল্লাহ আমাদের দেহে একটি মাত্র জিভ এবং দু-দু’টো কান দিয়েছেন। যাতে আমরা কম করে বলি এবং বেশী করে শুনি। শোনাতে জ্ঞান বৃদ্ধি পায়, আর কথা বলাতে অনুতাপ সৃষ্টি হয়।

জ্ঞানী_বোনটি_আমার!
যা তুমি দেখাও, তার চেয়ে বেশী তোমার থাকা উচিত। যা তুমি জান, তার তুলনায় কম কথা বলা উচিত। যা জানো তার সবটা বলা জরুরি নয়; কিন্তু যা বল তার সবটা জানা জরুরী।

বুদ্ধিমতী_বোনটি_আমার!
মানুষের জ্ঞান বাড়লে কথা কমে যায়। ও কথা অবশ্যই ভুলবে না।

> ন্যায় বা হক কথা হলেও সব কথা সব সময় বলা চলে না। বললে বিপদ হয়, শাস্তি পেতে হয়, ক্ষতি হয় দ্বিগুণ। যেমন কোন যুবক-যুবতীকে স্বচক্ষে উপরি-উপরি ব্যভিচারে আলিপ্ত দেখলেও সে কথা কাজী বা অন্য কারো কাছে বলা চলে না। ৪ সাক্ষী উপস্থিত করে তবেই বলতে হয়। নচেৎ অপবাদের চাবুক খেতে হয়।

> ‘স্পষ্ট কথায় কষ্ট নেই, কথাটাও ঠিকই। কিন্তু সর্বত্র স্পষ্ট কথা বলাও জ্ঞানীর কাজ নয়, আহমকের কাজ। আর কিছু কথা আছে, যা স্পষ্ট করে বললে অশ্লীল হয়ে যায়।

> কারো কাছে সরল হওয়া ভালো, কিন্তু তাই বলে সব কথা সবার কাছে বলা ভালো নয়।

> মহিলা মজলিসে কিছু কথা ফিসফিসিয়ে বলা হয়। গোপন কথাআর কি হবে?
একদা এক ব্যক্তি আব্দুল বিন মারওয়ানের এসে গোপনে কিছু বলতে চাইল। তিনি বললেন, ‘তুমি আমার প্রশংসা করবে না। কারণ আমি নিজের ব্যাপারে খুব ভালো জানি। মিথ্যা বলবে না। কারণ মিথ্যুকের কোন রায় নেই। আর আমার কাছে কারো বিষয় গীবত করবে না। লোকটি বলল, “হে আমীরুল মু’মিনীন! তাহলে আমাকে চলে যেতে অনুমতি দিন।”

> মঙ্গল_রয়েছে_৩টি_কর্মেঃ
কথায়, দৃষ্টিতে ও নীরবতায়। কিন্তু,
আল্লাহর যিকর ছাড়া প্রত্যেক কথা বৃথা,
উপদেশ গ্রহন ব্যতীত দৃষ্টি-বিবেচনা বৃথা এবং
কোন সুচিন্তা ব্যতীত নীরবতা বৃথা।

কথা হল ওষুধের মত। পরিমাণ মত ব্যবহার করলে তুমি উপকৃত হবে, বেশী ব্যবহার করলে ধ্বংস হবে।

আর সতর্ক হও! অসভ্যের সাথে কথা বলার মানেই হল, নিজের সম্ভ্রম নষ্ট করা।
ছোটলোকদের কথায় জবাব দিও না’ নচেৎ তোমার মান মাঠে-ঘাঠে যাবে।
পরীলে ভেড়ার শৃঙ্গে ভাঙ্গে হীরার ধার।

> বিষ্ঠায় ঢেলা মারলে নিজের গায়ে ছিটকে পড়ে। (নিজেকেই গন্ধ লাগে)

> আর ভজাভজি করতে যেয়ো না। কারণ, ‘ছেদো কথা মাথার জটা, খুলতে গেলেই লাগে জটা।’ তার চেয়ে সহ্য করে নাও বোনটি আমার!

> কত শেওড়া গাছের পেত্মী তোমার বাড়িতে এসে কত রকম পচা কথা বলবে, তুমি তাদেরকে পাত্তা দিও না। তবে এমন কথাও বলো না, যাতে সে তোমার মাথায় সওয়ার হয়ে বসে।

> শত সাবধান থেকো কুটনী জাতের মেয়ে থেকে! যারা ভালো লোকের ঘরেও পাপ ঢুকিয়ে দেয়। ‘সাপের বাসায় ভেকেরে নাচায়, কেমন কুটিনী সে বা?’

> আর শাড়ী-সর্বস্ব নারী হয়ো না তুমি। মজলিসে তোমার পৃথক বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পাক। তুমি যে আদর্শ মহিলা, তা তোমার কথা বার্তায় ফুটে উঠুক। আতর-ওয়ালার কাছে বসলে অনুরূপ খোশব-ওয়ালার মত । আর খবরদার! কামারের মত হয়ো না, যার কাছে বসলে কাপড় পুড়ার ভয় থাকে অথবা ধোঁয়াতে দম বন্ধ হতে চায়।

> কোন কোন মজলিসে হাদীস-কুরআন, আলেমা-উলামা, দাড়ি ও পর্দা নিয়ে ব্যঙ্গ- বিদ্রূপ হয়। পারলে তার প্রতিবাদ করো। না পারলে সে মজলিস ত্যাগ করো।

মহান_আল্লাহ_বলেন,

তুমি যখন দেখ, তারা আমার নিদর্শন সম্বন্ধে ব্যঙ্গ আলোচনায় মগ্ন হয়, তখন তুমি দূরে স্প্রে পড়, যে পর্যন্ত না তারা অন্য প্রসঙ্গে আলোচনায় প্রবৃত্ত হয় এবং শয়তান যদি তোমাকে ভ্রমে ফেলে, তাহলে স্মরণ হওয়ার পরে তুমি অত্যাচারী সম্প্রদায়ের সাথে বসবে না।(সূরা আনাআম-আয়াত ৬৮)

তিনি কিতাবে তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ করেছেন যে, যখন তোমরা শুনবে আল্লাহর কোন আয়াত প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে এবং তা নিয়ে বিদ্রূপ করা হচ্ছে, তখন যে পর্যন্ত তারা অন্য প্রসঙ্গে আলোচনায় লিপ্ত না হয় তোমরা তাদের সাথে বসো না; নচেৎ তোমরাও তাদের মত হয়ে যাবে। নিশ্চয় আল্লাহ কপট ও অবিশ্বাসী সকলকেই জাহান্নামে একত্র করবেন। (সূরা নিসা-আয়াত ১৪০১)

আদর্শ_বোনটি_আমার! তোমার বাড়িতে মহিলাদের মজলিসকে আল্লাহর যিকরের মজলিস করে গড়ে তোলো। নচেৎ জেনে রেখো, আল্লাহর রসূল (সাঃ) বলেন, “যে সম্প্রদায় এমন মজলিস থেকে উঠে যায়, যেখানে তারা আল্লাহর যিকর করে না, আসলে তারা মৃত গাধার মত কোন জিনিস থেকে উঠে যায়। আর (এর জন্য) আল্লাহর তরফ থেকে তাদের উপর পরিতাপ আসবে।”(আবূ দাঊদ ৪৮৫৫ নং)

বইঃ দাম্পত্য জীবনে সমস্যাবলির ৫০টি সমাধান
পাবেনঃ ইসলামহাউস পাবলিকেশন্স
প্রচারে আন-নূর ইসলামীক ম্যারেজ মিডিয়া

Translate