Sunday, May 19, 2024

নবী ইবরাহীম (আ) এর অগ্নি পরীক্ষা

 

নবী ইবরাহীম (আ) এর অগ্নি পরীক্ষা

ইবরাহীম (আ) এর সাথে যখন যুক্তি ও বিতর্কে এঁটে উঠতে পারলো না, তাদের পক্ষে পেশ করার মত কোন দলীল-প্রমাণ থাকল না, তখন তারা বিতর্কের পথ এড়িয়ে শক্তি ও ক্ষমতা প্রয়োগের পথ অবলম্বন করে- যাতে করে নিজেদের নির্বুদ্ধিতা ও হঠকারিতা টিকিয়ে রাখতে পারে। অতঃপর আল্লাহ্ সুবাহানহুয়া তা'আলা তাদের চক্রান্তকে ব্যর্থ করে দেয়ার কৌশল গ্রহণ করেন।

'তারা বলল, একে পুড়িয়ে দাও এবং তোমাদের উপাস্যদের সাহায্য কর, যদি তোমরা কিছু করতে চাও। আমি বললাম, হে অগ্নি! তুমি ইব্রাহীমের উপর শীতল ও নিরাপদ হয়ে যাও। তারা ইব্রাহীমের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করল, অতঃপর আমি তাদেরকেই সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্থ করে দিলাম।' -[ক্বুরআন ২১ : ৬৮-৭০]

তারা বিভিন্ন স্থান থেকে সম্ভাব্য চেষ্টার মাধ্যমে জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ করতে থাকে। দীর্ঘদিন পর্যন্ত তারা এ সংগ্রহের কাজে রত থাকে। তাদের মধ্যে কোন মহিলা পীড়িত হলে মানত করত যে, যদি সে আরোগ্য লাভ করে তবে ইবরাহীম (আ) কে পোড়াবার লাকড়ি সংগ্রহ করে দেবে। এরপর তারা বিরাট এক গর্ত তৈরী করে তার মধ্যে লাকড়ি নিক্ষেপ করে অগ্নি সংযোগ করে। ফলে তীব্র দাহনে প্রজ্বলিত অগ্নিশিখা এত উর্ধে উঠতে থাকে, যার কোন তুলনা হয় না। তারপর ইবরাহীম (আ) কে মিনজানীক নামক নিক্ষেপণ যন্ত্রে বসিয়ে দেয়।

এ যন্ত্রটি কুর্দী সম্প্রদায়ের হাযান নামক এক ব্যক্তি তৈরী করে। মিনজানীক যন্ত্র সে-ই প্রথম আবিষ্কার করে। আল্লাহ্ তাকে মাটির মধ্যে ধসিয়ে দেন। কিয়ামত পর্যন্ত সে মাটির মধ্যে তলিয়ে যেতে থাকবে। তারপর তারা ইবরাহীম (আ) কে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে টেনে হেঁচড়ে নিয়ে যেতে থাকে। তখন তিনি বলতে থাকেন-
 'আপনি (আল্লাহ্) ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই, আপনি মহা পবিত্র, বাদশাহীর মালিক কেবল আপনিই, আপনার কোন শরীক নেই।'

অতঃপর তারা ইবরাহীম (আ) কে মিনজানীকের পাল্লায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় রেখে আগুনে নিক্ষেপ করে। তখন তিনি বলেন-
 'আমার জন্য আল্লাহ্-ই যথেষ্ট, তিনি উত্তম অভিভাবক।'

আবু ইয়ালা (র)... আবু হুরায়রা (রা) সূত্রে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন, ইবরাহীম (আ) কে যখন আগুনে নিক্ষেপ করা হয় তখন তিনি এ দু'আটি পড়েন-
 'হে আল্লাহ্! আপনি আকাশ রাজ্যে একা আর এই যমীনে আমি একাই আপনার ইবাদাত করছি।'

পূর্ববর্তী যুগের কোন কোন আলিম বলেন, জিবরাঈল (আ) শূন্য থেকে ইবরাহীম (আ) কে বলেছিলেন- আপনার কোন সাহায্যের প্রয়োজন আছে কি? উত্তরে ইবরাহীম (আ) বলেছিলেন- সাহায্যের প্রয়োজন আছে, তবে আপনার কাছে নয় (আল্লাহর কাছে)।

আর আল্লাহর নির্দেশ বাণী অধিক দ্রুত গতিতেই পৌঁছে যায় -
 '(আল্লাহ্ বলেন) আমি বললাম, হে আগুন! তুমি ইবরাহীমের উপর শান্তিদায়ক হয়ে যাও।'

ইবরাহীম (আ) যখন প্রাচীর বেষ্টনীর মধ্যকার উক্ত গহ্বরে অবস্থান করছিলেন, তখন তার চতুষ্পার্শ্বে আগুনের লেলিহান শিখা দাউ দাউ করছিল, অথচ তিনি ছিলেন শান্তি ও নিরাপদে।

আবু হুরায়রা (রা) বলেন, ইবরাহীম (আ) এর পিতা আপন পুত্রের এ অবস্থা দেখে একটি উত্তম কথা বলেছিল, তা হল-
 'হে ইবরাহীম! তোমার প্রতিপালক কতই না উত্তম প্রতিপালক।'


তথ্যসূত্র: আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ১ম খণ্ড

নবী ইবরাহীম (আ) এর সাহসিকতা

 

নবী ইবরাহীম (আ) এর সাহসিকতা

নবী ইবরাহীম (আ) কে আল্লাহ্ সুবাহানহুয়া তা'আলা এমন জ্ঞান দিয়েছিলেন যে, তিনি ছোটবেলা থেকেই বুঝতে পেরেছিলেন যে তার সম্প্রদায় যে মিথ্যা উপাস্যদের ইবাদাত করে তারা কোন কিছু করার ক্ষমতাই রাখেনা। তার এই তাওহীদ শিক্ষা মানুষের কাছে প্রচার করতে গিয়ে তার সাহস ফুটে উঠে। আর এই সাহসিকতা এতই বেশি ছিল যে, তিনি অগ্নিকুন্ডে নিক্ষেপ হওয়ার পরও আল্লাহর এককত্বের সাক্ষ্য দিয়েছেন।

 স্মরণ কর ইব্রাহীমকে। যখন তিনি তাঁর সম্প্রদায়কে বলেছিল; তোমরা আল্লাহর ইবাদত কর এবং তাঁকে ভয় কর। এটাই তোমাদের জন্য উত্তম যদি তোমরা বোঝ। তোমরা তো আল্লাহর পরিবর্তে কেবল প্রতিমারই পূজা করছ এবং মিথ্যা উদ্ভাবন করছ। তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের ইবাদত করছ, তারা তোমাদের রিযিকের মালিক নয়। কাজেই আল্লাহর কাছে রিযিক তালাশ কর, তাঁর ইবাদত কর এবং তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। তাঁরই কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে। -[ক্বুরআন ২৯ : ১৬-১৯]

 এ কিতাবে উল্লেখিত ইব্রাহীমের কথা স্মরণ কর। নিশ্চয়ই সে ছিল একজন সত্যবাদী, একজন নবী। যখন সে তার পিতাকে বলল, হে আমার পিতা! আপনি কেন এমন জিনিসের ইবাদাত করেন যে শুনে না, দেখে না এবং আপনার কোন উপকারে আসে না? হে আমার পিতা! আমার কাছে এমন জ্ঞান এসেছে; যা আপনার কাছে আসেনি, সুতরাং আমার অনুসরণ করুন, আমি আপনাকে সরল সঠিক পথ দেখাব। হে আমার পিতা! আপনি শয়তানের ইবাদত করবেন না, শয়তান হচ্ছে দয়াময়ের অবাধ্য। হে আমার পিতা! আমি আশঙ্কা করি, দয়াময়ের একটি আযাব আপনাকে স্পর্শ করবে, অতঃপর আপনি শয়তানের সঙ্গী হয়ে যাবেন। পিতা বলল, হে ইব্রাহীম! তুমি কি আমার উপাস্যদের (দেবদেবীগুলো) থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছ? যদি তুমি বিরত না হও, তবে আমি অবশ্যই প্রস্তরাঘাতে তোমার প্রাণনাশ করব। তুমি চিরতরে আমার কাছ থেকে দূর হয়ে যাও। ইব্রাহীম বলল, আপনার প্রতি সালাম, আমি আমার পালনকর্তার কাছে আপনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করব। তিনি আমার প্রতি বড়ই মেহেরবান। আমি পরিত্যাগ করছি আপনাদেরকে এবং আপনারা আল্লাহ ব্যতীত যাদের ইবাদত কর তাদেরকে; আমি আমার পালনকর্তাকে ডাকি। আশা করি, আমার পালনকর্তাকে ডেকে আমি বঞ্চিত হব না। -[ক্বুরআন ১৯ : ৪১-৪৮]

এখানে আল্লাহ্ ইবরাহীম (আ) ও তাঁর পিতার মধ্যে যে কথোপকথন ও বিতর্ক হয়েছিল তা উল্লেখ করেছেন। সত্যের দিকে পিতাকে যে কোমল ভাষায় ও উত্তম ভংগিতে আহ্বান করেছেন তা এখানে সুন্দরভাবে ব্যক্ত হয়েছে। তিনি সৎসাহসের সাথে পিতার মূর্তি পূজার অসারতা তুলে ধরেছেন এভাবে যে, এগুলো তাদের উপাসনাকারীদের ডাক শুনতে পায় না, তাদের অবস্থানও দেখতে পায় না, তাহলে কিভাবে এরা উপাসকদের উপকার করবে?

 যখন তিনি তাঁর পিতা ও তাঁর সম্প্রদায়কে বলেছিল, এই মূর্তিগুলো কী, যাদের তোমরা পূজারী হয়ে বসে আছ? তারা বলল, আমরা আমাদের বাপ-দাদাকে এদের পুজা করতে দেখেছি। সে বলল, তোমরা প্রকাশ্য গোমরাহীতে আছ এবং তোমাদের বাপ-দাদারাও। তারা বলল, তুমি কি আমাদের কাছে সত্যসহ আগমন করেছ, না তুমি কৌতুক করছ? সে বলল, না, তিনিই তোমাদের পালনকর্তা যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের পালনকর্তা, যিনি এগুলো সৃষ্টি করেছেন; আর আমি এই বিষয়েরই সাক্ষ্যদাতা। (ইবরাহীম বলল) আল্লাহর কসম, যখন তোমরা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে চলে যাবে, তখন আমি তোমাদের মূর্তিগুলোর ব্যাপারে একটা ব্যবস্থা অবলম্বন করব। অতঃপর সে সেগুলোকে চূর্ণ-বিচুর্ণ করে দিলেন ওদের প্রধানটি ব্যতীত, যাতে তারা তাঁর কাছে প্রত্যাবর্তন করে। তারা বলল, আমাদের উপাস্যদের সাথে এরূপ ব্যবহার কে করল? সে তো নিশ্চয়ই কোন জালিম। কতক লোকে বলল, আমরা এক যুবককে তাদের সম্পর্কে বিরূপ আলোচনা করতে শুনেছি; তাকে ইব্রাহীম বলা হয়। তারা বলল, তাকে জনসমক্ষে উপস্থিত কর, যাতে তারা দেখে। তারা বলল, হে ইব্রাহীম! তুমিই কি আমাদের উপাস্যদের সাথে এরূপ ব্যবহার করেছ? সে বলল, না, এদের এই প্রধানই তো একাজ করেছে। অতএব তাদেরকে জিজ্ঞেস কর, যদি তারা কথা বলতে পারে। অতঃপর মনে মনে চিন্তা করল এবং বলল, লোক সকল; তোমরাই বে-ইনসাফ। অতঃপর তারা ঝুঁকে গেল মস্তক নত করে, তুমি তো জান যে, এরা কথা বলে না। সে বলল, তোমরা কি আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর ইবাদত কর, যা তোমাদের কোন উপকারও করতে পারে না এবং ক্ষতিও করতে পারে না? -[ক্বুরআন ২১ : ৫২-৬৬]

উপরোক্ত আয়াতগুলোতে ইবরাহীম (আ) সাহসিকতা ও দৃঢ়তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তিনি তাঁর জাতির মিথ্যা উপাস্যদের বিরুদ্ধে স্পষ্ট যুক্তি উপস্থাপন করেছেন, যা তাদেরকে মাথা অবনত করতে বাধ্য করে। কিন্তু তাদের দাম্ভিকতা তাঁর বিরুদ্ধেই উদ্ধত করলো।


তথ্যসূত্র: আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ১ম খণ্ড

কুরআন থেকে দোয়া

 

কুরআন থেকে দোয়া: ১

 اهدِنَــــا الصِّرَاطَ المُستَقِيمَ. صِرَاطَ الَّذِينَ أَنعَمتَ عَلَيهِمْ غَيرِ المَغضُوبِ عَلَيهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ

'আমাদেরকে সরল পথ দেখাও,সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নিয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।'
[কুরআন ১ : ৬-৭]


কুরআন থেকে দোয়া: ২

 رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

'হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের থেকে কবুল কর। নিশ্চয়ই তুমি শ্রবণকারী, সর্বজ্ঞ।'
[কুরআন ২ : ১২৭]


কুরআন থেকে দোয়া: ৩

 رَبَّنَا وَاجْعَلْنَا مُسْلِمَيْنِ لَكَ وَمِن ذُرِّيَّتِنَا أُمَّةً مُّسْلِمَةً لَّكَ وَأَرِنَا مَنَاسِكَنَا وَتُبْ عَلَيْنَآ إِنَّكَ أَنتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ

'হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের উভয়কে তোমার অনুগত কর এবং আমাদের বংশধর থেকেও একটি অনুগত দল সৃষ্টি কর, আমাদের ইবাদাতের নিয়ম-কানুন বলে দাও এবং আমাদের ক্ষমা কর। নিশ্চয় তুমি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, অতিশয় দয়ালু।'
[কুরআন ২ : ১২৮]


কুরআন থেকে দোয়া: ৪

رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

'হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদিগকে দুনয়াতেও কল্যাণ দান করো এবং আখেরাতেও কল্যাণ দান করো এবং আমাদিগকে জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করো।'
[কুরআন ২ : ২০১]


কুরআন থেকে দোয়া: ৫

رَبَّنَا أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا وَثَبِّتْ أَقْدَامَنَا وَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ


'হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের মনে ধৈর্য্য সৃষ্টি করে দাও এবং আমাদেরকে দৃঢ়পদ রাখ, আর কাফির জাতির বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য কর।'
[কুরআন ২ : ২৫০]

কুরআন থেকে দোয়া: ৬

رَبَّنَا لاَ تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا

'হে আমাদের প্রতিপালক! যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করি, তবে আমাদেরকে অপরাধী করো না।'
[কুরআন ২ : ২৮৬]

কুরআন থেকে দোয়া: ৭

رَبَّنَا وَلاَ تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِنَا

'হে আমাদের প্রতিপালক! এবং আমাদের উপর এমন দায়িত্ব অর্পণ করো না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর অর্পণ করেছিলে।'
[কুরআন ২ : ২৮৬]


কুরআন থেকে দোয়া: ৮

رَبَّنَا وَلاَ تُحَمِّلْنَا مَا لاَ طَاقَةَ لَنَا بِهِ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَآ أَنتَ مَوْلاَنَا فَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ

'হে আমাদের প্রতিপালক! এবং আমাদের দ্বারা ঐ বোঝা বহন করিও না, যা বহন করার শক্তি আমাদের নাই। আমাদের পাপ মোচন করো, আমাদেরকে ক্ষমা করো এবং আমাদের প্রতি দয়া করো। তুমিই আমাদের প্রতিপালক। সুতরাং কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের কে সাহায্যে করো।' 
[কুরআন ২ : ২৮৬]


কুরআন থেকে দোয়া: ৯

رَبَّنَا لاَ تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ

'হে আমাদের প্রতিপালক! সরল পথ প্রদর্শনের পর তুমি আমাদের অন্তরকে সত্যলংঘনে প্রবৃত্ত করোনা এবং তোমার নিকট থেকে আমাদিগকে অনুগ্রহ দান কর। তুমিই সব কিছুর দাতা।'
[কুরআন ৩ : ৮]


কুরআন থেকে দোয়া: ১০

رَبَّنَا إِنَّكَ جَامِعُ النَّاسِ لِيَوْمٍ لاَّ رَيْبَ فِيهِ إِنَّ اللّهَ لاَ يُخْلِفُ الْمِيعَادَ

'হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি মানুষকে একদিন অবশ্যই একত্রিত করবে, এতে কোনই সন্দেহ নেই। নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর ওয়াদার অন্যথা করেন না।' 
[কুরআন ৩ : ৯]


কুরআন থেকে দোয়া: ১১

رَبَّنَا إِنَّنَا آمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

'হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা ঈমান এনেছি, কাজেই আমাদের গোনাহ ক্ষমা করে দাও আর আমাদেরকে জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা কর।'
[কুরআন ৩ : ১৬]


কুরআন থেকে দোয়া: ১২

رَبَّنَا آمَنَّا بِمَا أَنزَلَتْ وَاتَّبَعْنَا الرَّسُولَ فَاكْتُبْنَا مَعَ الشَّاهِدِينَ

'হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা সে বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছি যা তুমি নাযিল করেছ, আমরা রসূলের অনুগত হয়েছি। অতএব, আমাদিগকে মান্যকারীদের তালিকাভুক্ত করে নাও।' [কুরআন ৩ : ৫৩]



কুরআন থেকে দোয়া: ১৩

ربَّنَا اغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَإِسْرَافَنَا فِي أَمْرِنَا وَثَبِّتْ أَقْدَامَنَا وانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ


'হে আমাদের প্রতিপালক! মোচন করে দাও আমাদের পাপ এবং যা কিছু বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে আমাদের কাজে। আর আমাদিগকে দৃঢ় রাখ এবং কাফিরদের উপর আমাদিগকে সাহায্য কর।'
[কুরআন ৩ : ১৪৭]


কুরআন থেকে দোয়া: ১৪

رَبَّنَا مَا خَلَقْتَ هَذا بَاطِلاً سُبْحَانَكَ فَقِنَا عَذَابَ النَّارِ


'হে আমাদের প্রতিপালক! এসব তুমি অনর্থক সৃষ্টি করনি। সকল পবিত্রতা তোমারই, আমাদিগকে তুমি জাহান্নামের শাস্তি থেকে বাঁচাও।'
[কুরআন ৩ : ১৯১]



কুরআন থেকে দোয়া: ১৫

رَبَّنَا إِنَّكَ مَن تُدْخِلِ النَّارَ فَقَدْ أَخْزَيْتَهُ وَمَا لِلظَّالِمِينَ مِنْ أَنصَارٍ


'হে আমাদের প্রতিপালক! নিশ্চয় তুমি যাকে দোযখে নিক্ষেপ করবে, তাকে অবশ্যই তুমি অপমান করবে; আর জালিমদের জন্যে তো সাহায্যকারী নেই।'
[কুরআন ৩ : ১৯২]


কুরআন থেকে দোয়া: ১৬

رَّبَّنَا إِنَّنَا سَمِعْنَا مُنَادِيًا يُنَادِي لِلإِيمَانِ أَنْ آمِنُواْ بِرَبِّكُمْ فَآمَنَّا


'হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা নিশ্চিতরূপে শুনেছি একজন আহবানকারীকে ঈমানের প্রতি আহবান করতে যে, তোমাদের পালনকর্তার প্রতি ঈমান আন; তাই আমরা ঈমান এনেছি।'
[কুরআন ৩ : ১৯৩]


কুরআন থেকে দোয়া: ১৭

رَبَّنَا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَكَفِّرْ عَنَّا سَيِّئَاتِنَا وَتَوَفَّنَا مَعَ الأبْرَارِ


'হে আমাদের প্রতিপালক! অতঃপর আমাদের সকল গোনাহ মাফ কর এবং আমাদের সকল দোষত্রুটি দুর করে দাও, আর আমাদের মৃত্যু দাও নেক লোকদের সাথে।'
[কুরআন ৩ : ১৯৩]



কুরআন থেকে দোয়া: ১৮

رَبَّنَا وَآتِنَا مَا وَعَدتَّنَا عَلَى رُسُلِكَ وَلاَ تُخْزِنَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِنَّكَ لاَ تُخْلِفُ الْمِيعَادَ


'হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে দাও, যা তুমি ওয়াদা করেছ তোমার রসূলগণের মাধ্যমে এবং কিয়ামতের দিন আমাদিগকে তুমি অপমানিত করো না। নিশ্চয় তুমি ওয়াদা ভঙ্গ করো না।'
[কুরআন ৩ : ১৯৪]



কুরআন থেকে দোয়া: ১৯


رَبَّنَا آمَنَّا فَاكْتُبْنَا مَعَ الشَّاهِدِينَ


'হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা ঈমান আনলাম, অতএব, আমাদেরকেও মান্যকারীদের তালিকাভুক্ত করে নাও।'
[কুরআন ৫ : ৮৩]



কুরআন থেকে দোয়া: ২০

رَبَّنَا أَنزِلْ عَلَيْنَا مَآئِدَةً مِّنَ السَّمَاء تَكُونُ لَنَا عِيداً لِّأَوَّلِنَا وَآخِرِنَا وَآيَةً مِّنكَ وَارْزُقْنَا وَأَنتَ خَيْرُ الرَّازِقِينَ


'হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের প্রতি আকাশ থেকে খাদ্যভর্তি খাঞ্চা অবতরণ করুন। তা আমাদের প্রথম ও পরবর্তী সবার জন্যে আনন্দোৎসব হবে এবং আপনার পক্ষ থেকে একটি নিদর্শন হবে। আপনি আমাদের রুযী দিন। আপনিই শ্রেষ্ট রুযীদাতা।'
[কুরআন ৫ : ১১৪]



কুরআন থেকে দোয়া: ২১

رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ


'হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা নিজেদের প্রতি জুলম করেছি। যদি আপনি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি অনুগ্রহ না করেন, তবে আমরা অবশ্যই অবশ্যই ধ্বংস হয়ে যাব।'
[কুরআন ৭ : ২৩]



কুরআন থেকে দোয়া: ২২

رَبَّنَا لاَ تَجْعَلْنَا مَعَ الْقَوْمِ الظَّالِمِينَ


'হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে এ জালিমদের সাথী করো না।'
[কুরআন ৭ : ৪৭]



কুরআন থেকে দোয়া: ২৩

رَبَّنَا افْتَحْ بَيْنَنَا وَبَيْنَ قَوْمِنَا بِالْحَقِّ وَأَنتَ خَيْرُ الْفَاتِحِينَ


'হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের আর আমাদের সম্প্রদায়ের মধ্যে সঠিকভাবে ফয়সালা করে দাও। আপনিই শ্রেষ্টতম ফয়সালাকারী।'
[কুরআন ৭ : ৮৯]





কুরআন থেকে দোয়া: ২৪

رَبَّنَا أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا وَتَوَفَّنَا مُسْلِمِينَ
'হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের জন্য ধৈর্য্যের দ্বার খুলে দাও এবং আমাদেরকে মুসলিম হিসেবে মৃত্যু দান কর।'
[কুরআন ৭ : ১২৬]




কুরআন থেকে দোয়া: ২৫

رَبَّنَا لاَ تَجْعَلْنَا فِتْنَةً لِّلْقَوْمِ الظَّالِمِينَ وَنَجِّنَا بِرَحْمَتِكَ مِنَ الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ


'হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে জালিমদের নির্যাতনের পাত্র করোনা। আর তোমার অনুগ্রহে আমাদেরকে কাফির সম্প্রদায় থেকে রক্ষা করো।'
[কুরআন ১০ : ৮৫-৮৬]



কুরআন থেকে দোয়া: ২৬

رَبَّنَا إِنَّكَ تَعْلَمُ مَا نُخْفِي وَمَا نُعْلِنُ وَمَا يَخْفَى عَلَى اللّهِ مِن شَيْءٍ فَي الأَرْضِ وَلاَ فِي السَّمَاء


'হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি তো জানেন আমরা যা কিছু গোপন করি এবং যা কিছু প্রকাশ করি। আসমান ও জমীনের কোন কিছুই আল্লাহর নিকট গোপন নয়।'
[কুরআন ১৪ : ৩৮]


কুরআন থেকে দোয়া: ২৭


رَبِّ اجْعَلْنِي مُقِيمَ الصَّلاَةِ وَمِن ذُرِّيَّتِي


'হে আমাদের প্রতিপালক! আমাকে নামায কায়েমকারী করুন এবং আমার সন্তানদের মধ্যে থেকেও।' 
[কুরআন ১৪ : ৪০]




কুরআন থেকে দোয়া: ২৮

رَبَّنَا وَتَقَبَّلْ دُعَاء


'হে আমাদের প্রতিপালক! এবং কবুল করুন আমাদের দোয়া।'
[কুরআন ১৪ : ৪০]



কুরআন থেকে দোয়া: ২৯

رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ


'হে আমাদের প্রতিপালক! হিসাব গ্রহণের দিনে আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং সব মুমিনকে ক্ষমা করে দিও।'
[কুরআন ১৪ : ৪১]



কুরআন থেকে দোয়া: ৩০

رَبَّنَا آتِنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً وَهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَدًا


'হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি আমাদেরকে নিজের কাছ থেকে রহমত দান করুন এবং আমাদের জন্যে আমাদের কাজ সঠিকভাবে পূর্ণ করুন।'
[কুরআন ১৮: ১০]

কুরআন থেকে দোয়া: ৩১

رَبَّنَا إِنَّنَا نَخَافُ أَن يَفْرُطَ عَلَيْنَا أَوْ أَن يَطْغَى

'হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা আশঙ্কা করি যে, সে আমাদের প্রতি জুলুম করবে কিংবা হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে উঠবে।
[কুরআন ২০ : ৪৫]

কুরআন থেকে দোয়া: ৩২

رَبَّنَا آمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا وَأَنتَ خَيْرُ الرَّاحِمِينَ


'হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা ঈমান এনেছি। অতএব, তুমি আমাদেরকে ক্ষমা কর ও আমাদের প্রতি রহম কর, তুমি তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।'
[কুরআন ২৩ : ১০৯]

কুরআন থেকে দোয়া: ৩৩

رَبَّنَا اصْرِفْ عَنَّا عَذَابَ جَهَنَّمَ إِنَّ عَذَابَهَا كَانَ غَرَامًا


'হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের কাছ থেকে জাহান্নামের শাস্তি দূর কর। নিশ্চয় এর শাস্তি ভয়াবহ বিপদ।'
[কুরআন ২৫ : ৬৫]

কুরআন থেকে দোয়া: ৩৪

رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا


'হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের স্ত্রীদের পক্ষ থেকে এবং আমাদের সন্তানের পক্ষ থেকে আমাদের জন্যে চোখের শীতলতা দান কর এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্যে আদর্শস্বরূপ কর।'
[কুরআন ২৫ : ৭৪]


কুরআন থেকে দোয়া: ৩৫

رَبَّنَا لَغَفُورٌ شَكُورٌ


'আমাদের প্রতিপালক! নিশ্চয় পরম ক্ষমাশীল, বড়ই মর্যাদাদানকারী।'
[কুরআন ৩৫: ৩৪]

কুরআন থেকে দোয়া: ৩৬

رَبَّنَا وَسِعْتَ كُلَّ شَيْءٍ رَّحْمَةً وَعِلْمًا فَاغْفِرْ لِلَّذِينَ تَابُوا وَاتَّبَعُوا سَبِيلَكَ وَقِهِمْ عَذَابَ الْجَحِيمِ


'হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি আপনার রহমত ও জ্ঞান সবকিছু বেষ্টন করে রেখেছেন। কাজেই যারা তাওবাহ করে এবং আপনার পথে চলে, তাদেরকে ক্ষমা করুন এবং জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করুন।'
[কুরআন ৪০ : ৭]


কুরআন থেকে দোয়া: ৩৭

رَبَّنَا وَأَدْخِلْهُمْ جَنَّاتِ عَدْنٍ الَّتِي وَعَدتَّهُم وَمَن صَلَحَ مِنْ آبَائِهِمْ وَأَزْوَاجِهِمْ وَذُرِّيَّاتِهِمْ إِنَّكَ أَنتَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ وَقِهِمُ السَّيِّئَاتِ وَمَن تَقِ السَّيِّئَاتِ يَوْمَئِذٍ فَقَدْ رَحِمْتَهُ وَذَلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ


'হে আমাদের প্রতিপালক! আর তাদেরকে দাখিল করুন চিরকাল বসবাসের জান্নাতে, যার ওয়াদা আপনি তাদেরকে দিয়েছেন এবং তাদের বাপ-দাদা, পতি-পত্নী ও সন্তানদের মধ্যে যারা সৎকর্ম করে তাদেরকে। নিশ্চয় আপনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। এবং আপনি তাদেরকে অমঙ্গল থেকে রক্ষা করুন। আপনি যাকে সেদিন অমঙ্গল থেকে রক্ষা করবেন, তার প্রতি অনুগ্রহই করবেন। এটাই মহাসাফল্য।'
[কুরআন ৪০ : ৮-৯]


কুরআন থেকে দোয়া: ৩৮

رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا وَلِإِخْوَانِنَا الَّذِينَ سَبَقُونَا بِالْإِيمَانِ وَلَا تَجْعَلْ فِي قُلُوبِنَا غِلًّا لِّلَّذِينَ آمَنُوا


'হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে এবং আমাদের ভ্রাতাগণকে ক্ষমা কর যারা ঈমানের ক্ষেত্রে আমাদের অগ্রবর্তী হয়েছে, আর ঈমানদারদের বিরুদ্ধে আমাদের অন্তরে কোন বিদ্বেষ রেখো না।'
[কুরআন ৫৯ : ১০]

কুরআন থেকে দোয়া: ৩৯

رَبَّنَا إِنَّكَ رَؤُوفٌ رَّحِيمٌ


'হে আমাদের প্রতিপালক!আপনি অতি দয়ালু, পরম করুণাময়।'
[কুরআন ৫৯ : ১০]

কুরআন থেকে দোয়া: ৪০

رَّبَّنَا عَلَيْكَ تَوَكَّلْنَا وَإِلَيْكَ أَنَبْنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ


'হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা তোমারই উপর ভরসা করেছি, তোমারই দিকে মুখ করেছি এবং তোমারই নিকট আমাদের প্রত্যাবর্তন।'
[কুরআন ৬০ : ৪]

কুরআন থেকে দোয়া: ৪১

رَبَّنَا لَا تَجْعَلْنَا فِتْنَةً لِّلَّذِينَ كَفَرُوا وَاغْفِرْ لَنَا رَبَّنَا إِنَّكَ أَنتَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ


'হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি আমাদেরকে কাফিরদের জন্য পরীক্ষার পাত্র করো না। হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের ক্ষমা কর। নিশ্চয়ই তুমি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।'
[কুরআন ৬০ : ৫]


কুরআন থেকে দোয়া: ৪২

رَبَّنَا أَتْمِمْ لَنَا نُورَنَا وَاغْفِرْ لَنَا إِنَّكَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ


'হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের নূরকে পূর্ণ করে দিন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয় আপনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান।'
[কুরআন ৬৬ : ৮]


কুরআন থেকে দোয়া: ৪৩

رَّبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ

'হে আমাদের প্রতিপালক! আমি শয়তানের প্ররোচনা থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি, এবং হে আমাদের প্রতিপালক! আমার নিকট তাদের উপস্থিতি থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি।'
[কুরআন ২৩ : ৯৭-৯৮]


কুরআন থেকে দোয়া: ৪৪

رَّبِّ أَدْخِلْنِي مُدْخَلَ صِدْقٍ وَأَخْرِجْنِي مُخْرَجَ صِدْقٍ وَاجْعَل لِّي مِن لَّدُنكَ سُلْطَانًا نَّصِيرًا

'হে আমার প্রতিপালক! আমাকে যেখানেই তুমি প্রবেশ করাও সত্য ও সম্মানের সাথে প্রবেশ করাও এবং যেখান থেকেই বের কর সত্য ও সম্মানের সাথে বের করো; আর তোমার নিকট হতে এক সাহায্যকারী শক্তি দান কর।'
[কুরআন ১৭ : ৮০]


কুরআন থেকে দোয়া: ৪৫

رَبِّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ أَنْ أَسْأَلَكَ مَا لَيْسَ لِي بِهِ عِلْمٌ وَإِلاَّ تَغْفِرْ لِي وَتَرْحَمْنِي أَكُن مِّنَ الْخَاسِرِينَ
'হে আমাদের প্রতিপালক! আমার যা জানা নেই এমন কোন দরখাস্ত করা হতে আমি আপনার কাছেই আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আপনি যদি আমাকে ক্ষমা না করেন, আমার প্রতি দয়া না করেন, তাহলে আমি ক্ষতিগ্রস্ত হব।'
[কুরআন ১১ : ৪৭]

Translate