Monday, October 5, 2020

প্রভু তুমি বলেছো রাসূল দেবে না

 

প্রভু তুমি বলেছো রাসূল দেবে না লিরিক । Provu tumi bolecho rasul debe na lyrics.


প্রভু তুমি বলেছো রাসূল দেবে না
বলোনি দেবে না ওমর
বলোনি দেবে না হামজা তারিক
খালিদ বিজয়ী সময় । ২

প্রভু তুমি বলেছো রাসূল দেবে না ।


বলোনি দেবেনা ওমরের যোগ
রাসেদার সেই খেলাফত
ফিরিয়ে দেবেনা আলোর সমাজ
কেটে কেটে আধার রাত ।২

পৃথিবীতে আর তুমি প্রভু দেবেনা
ফুলের সোনালি ধর (ধর=ধরা=দুনিয়া)
বলোনি দেবেনা হামজা তারিক
খালিদ বিজয়ী সময় ।

প্রভু তুমি বলেছো রাসূল দেবে ন....

পৃথিবীর দিকে দিকে ‍শুধু হাহাকার
লান্চিত মানবতার
মাজলুমানের এই আহাজিরিতে বয়
বাতাসে বিষন্নতা
পূনরায় পাঠাও গো ওমর আবার
কাটোক আধার এই ঘোর
বলোনি দেবে না হামজা তারিক
খালিদ বিজয়ী সময় ।

প্রভু তুমি বলেছো রাসূল দেবে না
বলোনি দেবে না ওমর
বলোনি দেবে না হামজা তারিক
খালিদ বিজয়ী সময় । ২

হাজারও ব্যাথা বেদনার পরে

 

হাজারও ব্যাথা বেদনার পরে লিরিক । Hajaro betha bedonar pore lyrics.


হাজারও ব্যাথা বেদনার পরে
ফিরে আসনি তুমি আপন ঘরে
দ্বীনের আলো তুমি ছড়িয়ে দিতে
চলে গেলে মদীনায় মক্কা ছেড়ে

হে রাসূল....
তোমাকে ভুলি আমি কেমন করে 

খেয়ে না খেয়ে দ্বীন প্রচারের কাজে
নিজেকে দিয়েছো বিলিয়ে
তায়েফের কাফেরেরা চিনলো না  আলো
দুষ্টু ছেলেদের পিছু দিল লেলিয়ে  

পাথরের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে
সারা শরীর থেকে রক্ত ঝরে
হে রাসূল....
তোমাকে ভুলি আমি কেমন করে  

হেরার গুহায় তোমারই ধ্যান
আসমান থেকে নামে আল-কোরআন  
ভাঙ্গল সবার ভুল তোমারই পরে
আসলো কোরআনের ছায়াতলে
খালিদ উমর আলী আবু বকর
ইসলামী ঝান্ডা নিল যে তুলে  

আল-আমিন তুমি ছিলে যে সদা
সকল মানুষের তরে
হে রাসূল....
তোমাকে ভুলি আমি কেমন করে 

হাজারও ব্যাথা বেদনার পরে
ফিরে আসনি তুমি আপন ঘরে
দ্বীনের আলো তুমি ছড়িয়ে দিতে
চলে গেলে মদীনায় মক্কা ছেড়ে

হে রাসূল....
তোমাকে ভুলি আমি কেমন করে  

তুমি ‍আসমানে থাক প্রভু

 

তুমি ‍আসমানে থাক প্রভু লিরিক । 


তুমি ‍আসমানে থাক প্রভু আমি জমিনে
তবু তোমারি প্রেম জমে হৃদয় গহিনে ।২
আমি তোমারি গোলাম ওগো অন্য কারো না ।২
আলিমুল গায়েব তুমি মালিক রব্বানা
আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহ ।২

তোমারি রহম ছাড়া বাঁচা বড় দায়,
প্রতি দিনে, প্রতি ক্ষনে,  জড়িয়ে রাখো গো আমায় ।২
কত শত ভুল মাফ করে দাও ।২
জানা কি অজানা ।
আমি তোমারি গোলাম ওগো অন্য কারো না ।২
আলিমুল গায়েব তুমি মালিক রব্বানা ।
আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহ ।২

কঠিন  বিচারের দিনে থেকো গো পাশে,
পাপের ভারে নুয়ে গেছি মন তাই কেঁদে মরে ।২
জান্নাতি ফুল দিয়েগো আমায়
আগুনে ফেলে দিয়োনা ।
আমি তোমারি গোলাম ওগো অন্য কারো না ।২
আলিমুল গায়েব তুমি মালিক রব্বানা ।
আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহু আল্লাহ ।৩

Saturday, September 12, 2020

ফরজ গোসল করার সঠিক নিয়ম

 আপনি সারাজীবন খুব ভালো ভাবে ইবাদত করে কাটালেন। মৃত্যুর পরে বিচার দিবসে যখন আপনার আমলনামা আপনার হাতে দিবে, তখন দেখলেন আপনার আমলনামায় কোন আমল জমা হয়নি। তখন আপনার চাইতে কপাল পোড়া আর কেউ কি থাকবে????

হ্যাঁ এমনটাই হতে পারে, যদি নিয়ম না জেনে ফরজ গোসল করেন। কারণ ফরজ গোসল সঠিক পদ্ধতিতে না করলে সারাজীবনই নাপাক অবস্থায় কাটাবেন। বিশেষ করে আমার সমবয়সী বন্ধু সকল তোমরা লজ্জায় কোনো আলেম বা যারা জানেন তাদের কাছে কোনদিনই জানতে যাওনি। না জেনে যদি এভাবেই তোমার জীবনঘড়ি থেমে যায় কেমন হবে সেই সময়টা একটু চিন্তা করে দেখেছো কি.? একটু লজ্জায় সারাজীবনের ইবাদত বরবাদ!!!😢

যে সব কারণে গোসল ফরজ হয়ঃ👇👇👇

👉১. স্বপ্নদোষ বা উত্তেজনাবশত বীর্যপাত হলে।

👉২. সহবাসে (সহবাসে বীর্যপাত হোক আর নাই হোক)।

👉৩. মেয়েদের হায়েয-নিফাস শেষ হলে।

👉৪. ইসলাম গ্রহন করলে (নব-মুসলিম হলে)।
.
গোসলের ফরজ ৩ টিঃ👇👇👇

👉১. গড়গড়া সহ কুলি করা, যাতে পানি গলার হাড় পর্যন্ত পৌছে।

👉২. হাতে পানি নিয়ে নাকের নরম হাড় পর্যন্ত পানি পৌছানো।

👉৩. সমস্ত শরীর উত্তম রুপে ধৌত করা।
.
ফরজ গোসলের সঠিক নিয়মঃ👇👇👇

👉গোসলের নিয়ত করা, ‘বিসমিল্লাহ’ বলে গোসল শুরু করা। দুই হাত কবজি পর্যন্ত ধোওয়া (বুখারী ২৪৮)

👉 পানি ঢেলে বাম হাত দিয়ে লজ্জাস্থান পরিষ্কার করা (বুখারী ২৫৭)

👉 বাম হাতটি ভালভাবে ঘষে ধুয়ে নেওয়া (বুখারী ২৬৬)।

👉 নামাজের ওজুর মতো ভালভাবে পূর্ণরূপে ওজু করা। এক্ষেত্রে শুধু পা দুটো বাকি রাখলেও চলবে, যা গোসলের শেষে ধুয়ে ফেলতে হবে। (বুখারী ২৫৭, ২৫৯, ২৬৫)।

👉মাথায় পানি ঢেলে চুলের গোড়া ভালভাবে আঙ্গুল দিয়ে ভিজানো। (বুখারী ২৫৮)।
.
👉পুরো শরীরে পানি ঢালা; প্রথমে ডানে ৩বার,
পরে বামে ৩বার, শেষে মাথার উপর ৩ বার। (বুখারী ১৬৮)।

👉 (যেন শরীরের কোন অংশ বা কোন লোমও শুকনো না থাকে।পুরুষের দাড়ি ও মাথার চুল এবং মহিলাদের চুল ভালোভাবে ভিজতে হবে। নাভি, বগল ও অন্যান্য কুঁচকানো জায়গায় অবশ্যই পানি ঢালতে হবে)। গোসলের জায়গা থেকে একটু সরে গিয়ে দুই পা ধোওয়া।(বুখারী ২৫৭)।
.
এটাই হচ্ছে গোসলের পরিপূর্ণ পদ্ধতি। উল্লেখ্য, এইভাবে গোসল করলে এর পরে নামায পড়তে চাইলে আলাদা করে ওযু করতে হবেনা, যদিনা গোসল করার সময় ওযু ভংগের কোনো কারণ ঘটে থাকে।
.
গোসলের পরে কাপড় চেঞ্জ করলে বা হাঁটুর উপরে কাপড় উঠে গেলে ওযু ভাংবেনা, এটা ওযু ভংগের কারণ না।

আল্লাহ আমাদের সঠিকভাবে আমল করার ও এ জ্ঞান সকলের কাছে পৌছে দেয়ার তওফিক দান করুন।


Translate