▪️ ফতোয়া-১:
সুতরাং তোমার এখতিয়ার আছে। যদি লড়াই ছাড়া তাকে প্রতিহত করা সম্ভব না হয় তাহলে তুমিও তার সাথে লড়াই করতে পারো। কিন্তু তাকে তোমার সম্পদ দেবে না।
তবে যদি তুমি তোমার প্রাণ বাঁচানোর জন্য তোমার সম্পদের কিছু অংশ দিয়ে তাকে সন্তুষ্ট করতে চাও তাহলেও কোনও সমস্যা নেই। কারণ প্রাণ সম্পদের চেয়ে মূল্যবান।
কিন্তু যদি তুমি লড়াই করো তাহলেও কোনও সমস্যা নেই।
আর যদি তুমি তাকে হত্যা করো তাহলে সে জাহান্নামে যাবে (আল্লাহর আশ্রয় চাই) এবং তার রক্ত বৃথা যাবে [অর্থাৎ এর জন্য তোমার উপরে কিসাস (হত্যার বদলে হত্যার বিধান) বাস্তবায়িত হবে না]।
আর যদি সে তোমাকে হত্যা করে তাহলে তুমি শাহিদ হবে। কারণ তুমি অত্যাচারিত হয়েছো।
যদি তুমি তোমার সম্পদের কিছু অংশ দিয়ে তাকে শান্ত করতে পারো এবং পরে কর্তৃপক্ষের কাছে তার বিষয়ে অভিযোগ করো তাহলেও কোনও সমস্যা নেই।
অর্থাৎ তোমাকে লড়াই করতে বাধ্য করা হয়নি। যদি তুমি লড়াই করো তাহলে কোনও সমস্যা নেই। আর যদি তুমি তাকে ছেড়ে দাও এবং তার খারাপ ইচ্ছা মেটানোর জন্য তাকে কিছু দিয়ে নিজের প্রাণ ও রক্ত বাঁচাও তাহলেও কোনও সমস্যা নেই। পরে তুমি তার বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করতে পারো।” [আল্লামা আব্দুল আজিজ বিন বায রহ.]
▪️ ফতোয়া-২:
ইসলাম ওয়েব-এর ফতোয়া:
ডাকাত এবং অশান্তি-বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী বা লুটতরাজকারীরা (মুহারিব) যদি তারা আত্মসমর্পণ না করে এবং অস্ত্রের সাহায্যে লড়াই করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা এবং প্রয়োজনে তাদের সবাইকে হত্যা করা জায়েজ এ বিষয়ে কোনও মতবিরোধ নেই। এছাড়াও যারা তাদের সাহায্য করে, আশ্রয় দেয় বা তাদের পক্ষে সমর্থন যোগায় তাদের বিরুদ্ধেও লড়াই করা জায়েজ। তাদের মধ্যে যাকে হত্যা করা হবে তার রক্ত বৃথা যাবে (অর্থাৎ তার জন্য কোনও কিসাস বা হত্যার বিনিময়ে হত্যার বিধান প্রয়োগ করা হবে না)। আর যদি তারা কাউকে হত্যা করে, তাহলে সে শহিদ হবে।
– শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া (রহ.) বলেছেন:
সুতরাং ডাকাতরা যদি কোনও নিরপরাধ ব্যক্তির সম্পদ দাবি করে তাহলে ইমামদের ঐকমত্য অনুযায়ী সেই ব্যক্তির জন্য তাদের কিছু দেওয়া আবশ্যক নয়। বরং সে সহজ উপায়ে তাদের প্রতিরোধ করবে।
যদি সহজ উপায়ে তাদের প্রতিরোধ করা সম্ভব না হয় এবং লড়াই ছাড়া কোনও বিকল্প না থাকে তাহলে সে তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারবে। যদি সে লড়াই করতে গিয়ে নিহত হয় তাহলে সে শহিদ হবে। আর যদি সে এই অবস্থায় তাদের কাউকে হত্যা করে তাহলে তার রক্ত বৃথা যাবে। (অর্থাৎ তার ওপরে হত্যার শাস্তি প্রয়োগ করা হবে না) (শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়ার বক্তব্য সমাপ্ত)।
▪️ ফতোয়া-৩:
আল্লামা শাইখ সালেহ আল ফাওযান (হাফিযাহুল্লাহ)
✅ সারসংক্ষেপ:
No comments:
Post a Comment